সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বিনোদন
১:৫৭ অপরাহ্ন, ১১ মে ২০২৬

ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধের দাবিতে জয়া আহসানের রিট

দেশে ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, এ কে খান হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং অভিনেত্রী ও প্রাণীকল্যাণকর্মী জয়া আহসান যৌথভাবে এই রিট করেন। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করবেন ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব, ড. সিনথিয়া ফরিদ ও অ্যাডভোকেট সাজিদ হাসান। আবেদনে বলা হয়েছে, অসুস্থ প্রাণীর মাংস প্রতারণার […]

ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধের দাবিতে জয়া আহসানের রিট

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

দেশে ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, এ কে খান হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং অভিনেত্রী ও প্রাণীকল্যাণকর্মী জয়া আহসান যৌথভাবে এই রিট করেন।

রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করবেন ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব, ড. সিনথিয়া ফরিদ ও অ্যাডভোকেট সাজিদ হাসান।

আবেদনে বলা হয়েছে, অসুস্থ প্রাণীর মাংস প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের খাদ্য হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই এ ঘটনায় উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে রিটে উল্লেখ করা হয়।

রিটে গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিয়ে সময়সীমাবদ্ধ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের আবেদনও করা হয়েছে।

এ ছাড়া ৬০ দিনের মধ্যে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে জাতীয় নির্দেশিকা প্রণয়ন, অসুস্থ ও বাজেয়াপ্ত ঘোড়ার নিলাম বন্ধ এবং উদ্ধার করা প্রাণীদের পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য অভয়ারণ্য তৈরির নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

রিটকারীদের আইনজীবীরা জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরে গাজীপুরে জেলা প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, র‌্যাব-১ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি তুলা কারখানাকে অবৈধ জবাইখানা হিসেবে ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। সেখানে ৩৬টি গুরুতর অসুস্থ ঘোড়া, আটটি জবাইকৃত ঘোড়ার মৃতদেহ এবং বিক্রির জন্য প্রস্তুত বিপুল পরিমাণ মাংস উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলোকে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় পাওয়া যায়। সেগুলোর মধ্যে অপুষ্টি, সংক্রমণ, উন্মুক্ত ক্ষত, পোকা সংক্রমণ, টিউমারসহ নানা জটিলতা ছিল। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া, পরজীবী সংক্রমণ, ছত্রাক দূষণ ও সন্দেহজনক যক্ষ্মার উপস্থিতিও শনাক্ত হয়।

রিটে আরও বলা হয়, জবাই করা এসব ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল, যা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ