প্রায় চার দিনের আপেক্ষিক শান্ত পরিস্থিতির পর মধ্যপ্রাচ্যে আবারও নতুন করে সংঘাতের আলামত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। আইআরজিসি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা জর্ডানে থাকা মার্কিন বাহিনীর একটি বিমানঘাঁটি ও একটি কমান্ড […]
ছবি: সংগৃহীত
প্রায় চার দিনের আপেক্ষিক শান্ত পরিস্থিতির পর মধ্যপ্রাচ্যে আবারও নতুন করে সংঘাতের আলামত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
আইআরজিসি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা জর্ডানে থাকা মার্কিন বাহিনীর একটি বিমানঘাঁটি ও একটি কমান্ড সেন্টারকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালিয়েছে। বিবৃতিতে তারা স্পষ্ট করে বলে, “ইরানের বিরুদ্ধে যতদিন হুমকি থাকবে, ততদিন আমাদের প্রতিরোধও অব্যাহত থাকবে।”
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, আইআরজিসির এই বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলী পরিবর্তন দেখা গেছে। আগের হামলাগুলোর পর দেওয়া বিবৃতিতে তারা ‘আগ্রাসন’ বা ‘হামলা’ শব্দ ব্যবহার করলেও এবার ‘হুমকি’ শব্দটি ব্যবহার করেছে, যা ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণের প্রাথমিক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ইরাক সীমান্তসংলগ্ন পিরানশাহর শহরে মার্কিন বিমান হামলার অভিযোগ করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের আনুষ্ঠানিক তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক অবস্থান এবং তেহরানের সামরিক নেতৃত্বের সুর ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সাময়িক বিরতির পর পরিস্থিতি আবারও বড় আকারের সামরিক সংঘাতের দিকে ধাবিত হচ্ছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, উভয় পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে অনিয়ন্ত্রিত এক ব্যাপক যুদ্ধের ঝুঁকিতে ফেলছে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা