আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে আবারও বড় ধরনের বৃদ্ধি দেখা গেছে। এক ধাক্কায় প্রায় ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেলের দাম ১১৪ ডলারের বেশি হয়ে গেছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উল্লেখযোগ্য ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের ফিউচারসের দাম […]
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে আবারও বড় ধরনের বৃদ্ধি দেখা গেছে। এক ধাক্কায় প্রায় ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেলের দাম ১১৪ ডলারের বেশি হয়ে গেছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উল্লেখযোগ্য ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের ফিউচারসের দাম বেড়ে ১১৪ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ব্রেন্ট ফিউচারসের দাম ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১১৪ দশমিক ২ ডলারে। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ফিউচারসও ৬ দশমিক ১৮ শতাংশ বেড়ে ১০০ ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়েছে।
আরও জানা গেছে, ফেব্রুয়ারির শেষ সময় থেকে এখন পর্যন্ত ব্রেন্ট তেলের দাম প্রায় ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। একই সময়ে ডব্লিউটিআই তেলের দামেও প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গেছে।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামে বড় ভূমিকা রাখছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া ১ এপ্রিল থেকে পেট্রোল রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় খসড়া প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির মন্ত্রিসভা। খবর তাস নিউজ।
রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেক্সান্দার নোভাক শুক্রবার (২৭ মার্চ) জ্বালানি মন্ত্রণালয়কে এই নির্দেশনা দেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা ৩১ জুলাই পর্যন্ত বহাল থাকতে পারে।
নোভাক বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে, যার ফলে তেলের দামে ওঠানামা বাড়ছে।
তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে রাশিয়ার জ্বালানির চাহিদা এখনো শক্তিশালী থাকলেও দেশের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।