মানিকগঞ্জে ‘পুতুলের বিয়ে’ নাটকের শুটিং চলাকালে চড় মারাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ছোট পর্দার অভিনেত্রী সামিয়া অথৈ অভিযোগ করেছেন, সহশিল্পী তানজিন তিশা ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে আঘাত করেছেন। তবে তিশা এ অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন। সামিয়ার অভিযোগ সামিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে জানান, একটি দৃশ্যে তাকে তিশাকে চড় মারতে বলা হয়। গল্প অনুযায়ী তিশার চরিত্রটি […]
ছবি: সংগৃহীত
মানিকগঞ্জে ‘পুতুলের বিয়ে’ নাটকের শুটিং চলাকালে চড় মারাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ছোট পর্দার অভিনেত্রী সামিয়া অথৈ অভিযোগ করেছেন, সহশিল্পী তানজিন তিশা ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে আঘাত করেছেন। তবে তিশা এ অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
সামিয়ার অভিযোগ
সামিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে জানান, একটি দৃশ্যে তাকে তিশাকে চড় মারতে বলা হয়। গল্প অনুযায়ী তিশার চরিত্রটি মানসিকভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন। পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি হালকাভাবে চড় মারেন।
তার দাবি, দৃশ্যের পর তিশা পাল্টা চড় মারেন এবং সবার সামনে একাধিকবার আঘাত করেন। এতে তার গাল ও চোখ ফুলে গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং ঘটনার বিচার দাবি করেন।
তিশার ব্যাখ্যা
অন্যদিকে তানজিন তিশা বলেন, তিনি পুরোপুরি চরিত্রের ভেতরে থেকে অভিনয় করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি একজন অটিস্টিক বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন, যেখানে চরিত্রগতভাবে আচরণ আক্রমণাত্মক হতে পারে।
তিশা দাবি করেন, ব্যক্তিগতভাবে কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য তার ছিল না; বরং স্ক্রিপ্ট ও চরিত্রের প্রয়োজনেই যা করেছেন। তিনি বলেন, বিষয়টি পেশাদার জায়গা থেকে না দেখে ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, শুটিং চলাকালে কঠিন পরিবেশে কাজ করতে হয়েছে এবং কাজটি মুক্তি পেলে দর্শক পুরো প্রেক্ষাপট বুঝতে পারবেন।
বর্তমান অবস্থা
ঘটনাটি নিয়ে শোবিজ অঙ্গনে আলোচনা চলছে। তবে নাটকের পরিচালক বা প্রযোজনা সংশ্লিষ্ট কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। বিষয়টি পেশাদার আচরণ, সেটে নিরাপত্তা এবং অভিনয়ের সীমারেখা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।