দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিক থালাপতি বিজয়–এর রাজনৈতিক যাত্রায় বড় অগ্রগতি এসেছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও সংখ্যার সমীকরণ কাটিয়ে অবশেষে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থনের কাছাকাছি পৌঁছেছে তার দল টিভিকে। শনিবার বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে) আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ের দলকে নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেয়। দলটির দুই বিধায়কের সমর্থন পাওয়ার পর বিজয়ের শিবির বিধানসভায় গুরুত্বপূর্ণ “ম্যাজিক […]
ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিক থালাপতি বিজয়–এর রাজনৈতিক যাত্রায় বড় অগ্রগতি এসেছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও সংখ্যার সমীকরণ কাটিয়ে অবশেষে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থনের কাছাকাছি পৌঁছেছে তার দল টিভিকে।
শনিবার বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে) আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ের দলকে নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেয়। দলটির দুই বিধায়কের সমর্থন পাওয়ার পর বিজয়ের শিবির বিধানসভায় গুরুত্বপূর্ণ “ম্যাজিক নাম্বার” ১১৮ স্পর্শ করেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। ফলে তামিলনাড়ুর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের পথ অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।
রাজনৈতিক সাফল্যের এই সময়েই আবারও আলোচনায় এসেছে বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবন। ভারতীয় কয়েকটি গণমাধ্যম দাবি করেছে, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান–কে বিয়ে করতে পারেন তিনি।
এই গুঞ্জনের পেছনে কয়েকটি ঘটনাকে সামনে আনা হচ্ছে। নির্বাচনী সাফল্যের পর বিজয়ের বাসভবনে তৃষার উপস্থিতি, বিজয়ের পরিবারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং দীর্ঘদিন ধরে চলা দাম্পত্য টানাপোড়েন—সব মিলিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
খবরে বলা হচ্ছে, আগামী ১৫ জুন আদালতে প্রায় ২৫০ কোটি রুপি ভরণপোষণ দিয়ে প্রথম স্ত্রী সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গম–এর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ সম্পন্ন করতে পারেন বিজয়। যদিও এই বিষয়ে অভিনেতা বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে সংগীতাকে বিয়ে করেন বিজয়। তাদের সংসারে দুই সন্তান রয়েছে। তবে গত কয়েক বছর ধরেই তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গে বিজয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণেই দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়।
সম্প্রতি চেন্নাইয়ের একটি বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে একই রঙের পোশাকে একসঙ্গে উপস্থিত হন বিজয় ও তৃষা। এরপর আরও কয়েকটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে তাদের একসঙ্গে দেখা যায়। এসব ঘটনাই এখন তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে।
তবে এখন পর্যন্ত বিজয় বা তৃষা—কেউই বিয়ে বা সম্পর্কের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।