হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই এবার আরব সাগরেও নতুন একটি নিষিদ্ধ অঞ্চল ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, চাবাহার উপকূল থেকে শুরু হয়ে ওমান উপসাগরের কিছু অংশ পেরিয়ে আরব সাগর পর্যন্ত এই অঞ্চল বিস্তৃত হবে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি এ তথ্য জানান। তাঁর ভাষ্য, প্রস্তাবিত এলাকায় ইরানের সঙ্গে […]
ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই এবার আরব সাগরেও নতুন একটি নিষিদ্ধ অঞ্চল ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, চাবাহার উপকূল থেকে শুরু হয়ে ওমান উপসাগরের কিছু অংশ পেরিয়ে আরব সাগর পর্যন্ত এই অঞ্চল বিস্তৃত হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি এ তথ্য জানান। তাঁর ভাষ্য, প্রস্তাবিত এলাকায় ইরানের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়া কোনো জাহাজ প্রবেশ করলে সেটি নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে। তবে নতুন নিষিদ্ধ অঞ্চলের সুনির্দিষ্ট স্থানাঙ্ক পরে জানানো হবে।
এর আগে রোববার ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই জানিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালির বাইরে আরেকটি সীমাবদ্ধ অঞ্চল তৈরি করা হবে। ওই এলাকায় প্রবেশকারী জাহাজগুলোকে ইরানের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাখা হতে পারে বলেও সতর্ক করেছিলেন তিনি।
ইরানের এই ঘোষণা এমন সময় এল, যখন হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামুদ্রিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বুধবার ইরান দাবি করেছে, হরমুজের কাছে তারা ১০টি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় পাঁচটি ইরানি তেলবাহী জাহাজ ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেছে তেহরান।
এদিকে, উপসাগর ও ওমান সাগরে কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের একটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা। ইরাকের জলসীমায় একটি তেলবাহী জাহাজেও ড্রোন হামলার পর আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রভাব আন্তর্জাতিক তেলবাজারেও পড়েছে। বুধবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়।
তবে ইরানের নতুন নিষিদ্ধ অঞ্চলটি ঠিক কতটা বিস্তৃত হবে এবং সেটি কীভাবে কার্যকর করা হবে, এখন সেটিই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।