নিচে সংবাদটি পরিমার্জিত, সংক্ষিপ্ত ও পেশাদার সংবাদ কাঠামোয় পুনর্লিখন করা হলো—শিরোনাম, লিড ও ধারাবাহিক তথ্যপ্রবাহ বজায় রেখে: ভোট পারফেক্ট করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নির্বাচনি সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে এবং সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। তবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নির্ভুল নির্বাচন নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে […]
ছবি - সংগৃহীত
নিচে সংবাদটি পরিমার্জিত, সংক্ষিপ্ত ও পেশাদার সংবাদ কাঠামোয় পুনর্লিখন করা হলো—শিরোনাম, লিড ও ধারাবাহিক তথ্যপ্রবাহ বজায় রেখে:
ভোট পারফেক্ট করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নির্বাচনি সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে এবং সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। তবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নির্ভুল নির্বাচন নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
শনিবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নির্বাচনসংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ ও প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “সারা দেশে নির্বাচন ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। কেউ কারো বিরুদ্ধে কটু ভাষা ব্যবহার করছে না—রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন এসেছে। আমরা এতে সন্তুষ্ট। এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো ভোটকে পারফেক্ট করা।”
ড. ইউনূস বলেন, “ভোট হবে উৎসবমুখর। নারীরা আনন্দের সঙ্গে ভোট দেবে। এই নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
প্রেস সচিব আরও জানান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের পাঁচটি স্থানে বডি অন ক্যামেরা ব্যবহার করে পরীক্ষামূলক পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম চালানো হয়েছে। কোথাও কোনো সমস্যা হলে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ’-এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে বার্তা পৌঁছে যাবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। এর মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীর ১ লাখ ৮ হাজার সদস্য ইতোমধ্যে মোতায়েন হয়েছেন। বাকি বাহিনীগুলোও সময়মতো মোতায়েন করা হবে।
এছাড়া নির্বাচনসংক্রান্ত অভিযোগ ও সহায়তার জন্য ৩৩৩ নম্বরে একটি হটলাইন চালু করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচনে গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেই।
এদিকে উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, ‘পাশা’ নামের একটি এনজিওর ১০ হাজার নির্বাচন পর্যবেক্ষকের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে।