সৌদি আরব খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্ব চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিজের অবস্থান বেশ মজবুত করেছে। এখন দেশটিতে প্রায় সারা বছরজুড়েই চলে নানা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ও তারকাদের আনাগোনা। সেই ধারাবাহিক আয়োজনের অংশ হিসেবে ৪ ডিসেম্বর শুরু হয়েছে ‘রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এর পঞ্চম সংস্করণ। ১০ দিনের এ উৎসবে ৫০টিরও বেশি দেশের শতাধিক চলচ্চিত্র দেখানো হবে। উৎসবের […]
সৌদি আরব খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্ব চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিজের অবস্থান বেশ মজবুত করেছে। এখন দেশটিতে প্রায় সারা বছরজুড়েই চলে নানা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ও তারকাদের আনাগোনা। সেই ধারাবাহিক আয়োজনের অংশ হিসেবে ৪ ডিসেম্বর শুরু হয়েছে ‘রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এর পঞ্চম সংস্করণ। ১০ দিনের এ উৎসবে ৫০টিরও বেশি দেশের শতাধিক চলচ্চিত্র দেখানো হবে।
উৎসবের উদ্বোধনী দিনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল রেড কার্পেটের ঝলমলে তারকাবহুল সন্ধ্যা। তবে বিশেষভাবে নজর কাড়েন ঐশ্বরিয়া রাই, যিনি অংশ নেন একটি এক ঘণ্টার আড্ডায়। সেখানে নিজের দীর্ঘ অভিনয়যাত্রার নানা গল্প অকপটে শোনান তিনি। ঐশ্বরিয়ার মতে, জীবনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় তিনি কখনোই দ্বিধায় ভোগেননি কিংবা অন্যের মতামতে নিজেকে বিচলিত হতে দেননি। তাঁর ভাষায়, ‘অল্প বয়স থেকেই আত্মবিশ্বাস ছিল—যা হয়তো আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে।’
ঐশ্বরিয়া জানান, শেখার ইচ্ছা তাকে সবসময়ই তাড়িত করেছে। বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা থেকে শুরু করে স্থাপত্য, আর সেখান থেকে অভিনয়ে আসা—প্রতিটি ধাপই তার কাছে নতুন অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, ‘একসময় ডাক্তার হতে চেয়েছিলাম, পরে স্থাপত্যে ভর্তি হয়েছিলাম। তারপর ভাগ্য আমাকে নিয়ে এলো চলচ্চিত্রে। আজও নিজেকে একজন শিক্ষার্থী হিসেবেই দেখি।’
তিনি মনে করেন, কোনো প্রজেক্টের জৌলুস বা বাজেট নয়—গল্পই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বড় মাপের ‘দেবদাস’-এর পরই তিনি কাজ করেছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘চোখের বালি’-তে। ঐশ্বরিয়ার ভাষায়, ‘দেবদাসের পর সবাই ভেবেছিল আমি হয়তো আরও বড় কোনো ছবিতে নাম লিখাব। কিন্তু আমি বেছে নিই চোখের বালি, কারণ ভালো গল্পই আমাকে তৃপ্তি দেয়।’
রেড কার্পেটের প্রথম রাতটি ছিল তারকার ছড়াছড়িতে ভরপুর। উপস্থিত ছিলেন অ্যাড্রিয়েন ব্রডি, কার্স্টেন ডানস্ট, ভিন ডিজেল, জেসিকা আলবা, কুইন লতিফা, ডাকোটা জনসন, আনা ডি আরমাস, রিজ আহমেদ, নাওমি হ্যারিস, উমা থারম্যান, কৃতি শ্যাননসহ বহু তারকা। এ ছাড়া বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন জুলিয়েট বিনোশে, স্যার মাইকেল কেইন এবং নির্মাতা স্ট্যানলি টং।