বাংলাদেশের গ্যাস বাজারে এলপিজির (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) দাম কেমন হবে তা জানতে আর অপেক্ষা করতে হবে না অনেক দিন। চলতি বছরের নভেম্বর মাসে এলপিজির মূল্য বাড়বে নাকি কমবে, তা আগামী রোববার (২ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিইআরসি থেকে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা […]
বাংলাদেশের গ্যাস বাজারে এলপিজির (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) দাম কেমন হবে তা জানতে আর অপেক্ষা করতে হবে না অনেক দিন। চলতি বছরের নভেম্বর মাসে এলপিজির মূল্য বাড়বে নাকি কমবে, তা আগামী রোববার (২ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিইআরসি থেকে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরামকো কর্তৃক ঘোষিত নভেম্বর ২০২৫ মাসের সৌদি সিপি (Saudi CP) অনুযায়ী, দেশের ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হবে।
এর আগে গত ৭ অক্টোবর এলপিজির দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৯ টাকা কমিয়ে ১,২৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একইসঙ্গে অটোগ্যাসের দামও প্রতি লিটার মূসকসহ ৫৬ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়, যা আগের দামের থেকে ১ টাকা ৩৮ পয়সা কম।
২০২৪ সালে এলপিজি ও অটোগ্যাসের মূল্য পরিবর্তন নিয়ে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মোট ১১ দফায় দাম পরিবর্তন ঘটেছে, যার মধ্যে ৪ দফায় দাম কমানো হয়েছে এবং ৭ দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে। বছরের প্রথম দশ মাসে বিভিন্ন সময় দাম বাড়ানোর পাশাপাশি কমানোর ঘটনাও ঘটেছে। বিশেষত, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে, আর এপ্রিল, মে, জুন ও নভেম্বর মাসে দাম কমানো হয়েছে। ডিসেম্বরে দাম অপরিবর্তিত ছিল।
এলপিজির দাম পরিবর্তনের এই ধারা সরাসরি দেশের গৃহস্থালি ও শিল্প খাতের উপর প্রভাব ফেলে। গ্যাসের দামের ওঠানামা জনসাধারণের দৈনন্দিন ব্যয় বৃদ্ধি বা হ্রাসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া, শিল্পখাতে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেলে তা পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতেও প্রতিফলিত হয়, যা সামগ্রিক অর্থনীতির উপর প্রভাব ফেলে।
তাই প্রতি মাসের দাম নির্ধারণ ঘোষণা জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে গ্যাসের উপর নির্ভরশীল ব্যবসায়ী ও গৃহস্থালির জন্য এই মূল্য পরিবর্তন তাদের বাজেট পরিকল্পনায় বড় ভূমিকা রাখে।
আগামী রবিবারের ঘোষণায় এলপিজির বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক তেলের মূল্য ওঠানামার প্রভাব স্পষ্ট হবে। এতে দেশের গ্যাস মূল্য নীতি ও ভবিষ্যৎ দাম বৃদ্ধির বা হ্রাসের সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।