সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

প্রধান খবর
৪:০৮ অপরাহ্ন, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনে উৎসবমুখর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সব শ্রেণি ও পেশার ভোটারদের সচেতনভাবে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, এই নির্বাচন ও গণভোট শুধু একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী অধ্যায় এবং দেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক ধারার গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা। আগামীকাল […]

গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনে উৎসবমুখর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সব শ্রেণি ও পেশার ভোটারদের সচেতনভাবে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, এই নির্বাচন ও গণভোট শুধু একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী অধ্যায় এবং দেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক ধারার গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এ তথ্য জানিয়েছে।

বাণীতে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত একটি জাতি তাদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও আত্মমর্যাদার ঘোষণা দিয়েছে। আসন্ন নির্বাচন সেই আকাঙ্ক্ষার চূড়ান্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। এর মাধ্যমে জনগণ ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকাঠামো ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে তাদের সুস্পষ্ট মতামত জানাতে পারবে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, গণভোটে দেশের জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামো সম্পর্কে নিজেদের মতামত প্রকাশ করবেন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সেই মতামত বাস্তবায়নে যোগ্য, দায়বদ্ধ ও জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। এর ফলে জনগণ সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনার প্রক্রিয়ায় অংশীদার হবেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এ নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক তরুণ নাগরিক প্রথমবারের মতো তাদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি বহু পূর্ণবয়স্ক নাগরিক দীর্ঘদিন পর প্রকৃত অর্থে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তাই এই নির্বাচন ও গণভোট যেন প্রতিটি ভোটারের জন্য শঙ্কামুক্ত, আনন্দময়, বিশ্বাসযোগ্য ও উৎসবমুখর গণতান্ত্রিক অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়—তা নিশ্চিত করা সবার নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। প্রতিটি নাগরিক যেন কোনো ধরনের ভয়ভীতি, চাপ বা প্রভাব ছাড়া স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন, সে জন্য প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন, সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।

একই সঙ্গে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংযম, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পথে অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ