গত শনিবার সন্ধ্যায় ছড়িয়ে পড়ে, জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হায়দার হোসেন মারা গেছেন—এ ধরনের গুজব। ফেসবুকের কয়েকটি গ্রুপ ও পেজে এবং কিছু ভুয়া সংবাদমাধ্যমের ফটোকার্ড ব্যবহার করে এই খবর ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এই বিষয় নিয়ে সরাসরি মুখ খুলেছেন হায়দার হোসেন নিজেই। তিনি জানান, এ ধরনের গুজবের কারণে বেশ বিব্রত হয়েছেন। “সন্ধ্যা থেকে ফোন রাখতে পারছি না, অনেকেই […]
ছবি: সংগৃহীত
গত শনিবার সন্ধ্যায় ছড়িয়ে পড়ে, জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হায়দার হোসেন মারা গেছেন—এ ধরনের গুজব। ফেসবুকের কয়েকটি গ্রুপ ও পেজে এবং কিছু ভুয়া সংবাদমাধ্যমের ফটোকার্ড ব্যবহার করে এই খবর ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
এই বিষয় নিয়ে সরাসরি মুখ খুলেছেন হায়দার হোসেন নিজেই। তিনি জানান, এ ধরনের গুজবের কারণে বেশ বিব্রত হয়েছেন। “সন্ধ্যা থেকে ফোন রাখতে পারছি না, অনেকেই ফোন করছেন। আমি সুস্থ আছি, ভালো আছি। এমন ভুয়া খবর অনভিপ্রেত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত,” বলেন শিল্পী।
হায়দার হোসেন আরও বলেন, মৃত্যুর বিষয়ে ভুয়া খবর প্রচার করা উচিত নয়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই গুজবের কারণে ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শিল্পী নিজেই বিষয়টি স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছেন।
কয়েক বছর আগে নিজের স্বাস্থ্যগত সমস্যার খবর নিয়ে শিরোনামে আসেন হায়দার। ২০২২ সালের জুনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং তার হার্টে একটি রিং স্থাপন করা হয়।
হায়দার হোসেন বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একজন শিল্পী। তিনি জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘উইনিং’–এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। পরে পপসম্রাট আজম খানের সঙ্গে কাজের সুযোগ পান, যা তাকে গায়ক, গীতিকার ও সুরকার হিসেবে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
তার গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানগুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘৩০ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি’, ‘আমি ফাঁইসা গেছি’ এবং আরও অনেক গান।