দেশের একমাত্র বিশেষায়িত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র পাবনা মানসিক হাসপাতাল-এ অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ ও ভিডিও ধারণের কারণে রোগীদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রোগী দেখার অজুহাতে সাধারণ মানুষ এবং কিছু কনটেন্ট নির্মাতা ভেতরে ঢুকে রোগীদের নিয়ে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করছেন। জানা গেছে, এসব ভিডিও পরে টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা […]
ছবি: সংগৃহীত
দেশের একমাত্র বিশেষায়িত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র পাবনা মানসিক হাসপাতাল-এ অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ ও ভিডিও ধারণের কারণে রোগীদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রোগী দেখার অজুহাতে সাধারণ মানুষ এবং কিছু কনটেন্ট নির্মাতা ভেতরে ঢুকে রোগীদের নিয়ে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করছেন।
জানা গেছে, এসব ভিডিও পরে টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা রোগীদের মানসিক অবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, কিছু ব্যক্তি হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করে রোগীদের উত্ত্যক্ত করে এবং অস্বাভাবিক আচরণ করে ভিডিও ধারণ করছেন। এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের ঘুষ দিয়ে প্রবেশের অভিযোগও উঠেছে। প্রত্যেকের কাছ থেকে অল্প পরিমাণ অর্থ নিয়ে ভেতরে ঢুকতে দেওয়ার দৃশ্যও নথিভুক্ত হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের অনিয়মের সঙ্গে একটি চক্র জড়িত, যারা নিয়মিত অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে এই প্রবেশ সহজ করছে।
হাসপাতালের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এ কে এম শফিউল আজম বলেন, এ ধরনের আচরণ রোগীদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এতে তাদের অতীতের ট্রমা আবার উসকে যেতে পারে, যা চিকিৎসা প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক শাফকাত ওয়াহিদ জানান, অনিয়ম ঠেকাতে ইতোমধ্যে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুই আনসার সদস্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার এবং অননুমোদিত প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।