ইরান যুদ্ধ ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে ‘স্পট মার্কেট’ থেকে আরও তিন কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন এই চালান কিনতে আগের অনুমোদিত তিন কার্গোর তুলনায় বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার পোসকো ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন থেকে দুই কার্গো এবং যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধ ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে ‘স্পট মার্কেট’ থেকে আরও তিন কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন এই চালান কিনতে আগের অনুমোদিত তিন কার্গোর তুলনায় বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার পোসকো ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন থেকে দুই কার্গো এবং যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড থেকে এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এ জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩৩০ কোটি ৮১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৩২ টাকা।
শনিবার (২৩ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২৩তম সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এর আগে গত ৭ মে অনুষ্ঠিত কমিটির ২০তম সভায় স্পট মার্কেট থেকে তিন কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ওই চালানগুলো কেনা হয় ভাইটল এশিয়া, বিপি সিঙ্গাপুর ও গানভর সিঙ্গাপুর থেকে। তখন মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ২১৮৬ কোটি ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার ২২২ টাকা।
সে হিসাবে একই মাসে সমপরিমাণ এলএনজি আমদানিতে এবার প্রায় ১৪৪ কোটি টাকা বেশি খরচ হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন অনুমোদিত তিন কার্গো এলএনজি আগামী জুন মাসে সরবরাহ করা হবে।
এদিকে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে চাপ আরও বেড়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ৩৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এলএনজি আমদানির অর্থায়নে সহায়তার জন্য গত ১৫ মে এই ঋণ অনুমোদন দেয় সংস্থাটি।
এ ছাড়া শনিবারের বৈঠকে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার এবং ৪০ হাজার টন ডিএপি সার কেনার অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে।