সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বিনোদন
৪:১২ অপরাহ্ন, ১১ জুন ২০২৬

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিনের মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলায় বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে করা আবেদনের শুনানি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি অতুল এস চন্দুরকরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে শুনানির শুরুতেই আদালত […]

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিনের মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলায় বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে করা আবেদনের শুনানি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি অতুল এস চন্দুরকরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে শুনানির শুরুতেই আদালত জানায়, মামলাটি অন্য একটি বেঞ্চে পাঠানো হবে।

বিচারপতি মিশ্র বলেন, এই মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি বিষয়ে তার ছেলে সরকারের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেই কারণে তিনি মামলাটির শুনানিতে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি নির্দেশ দেন, আগামী ২৫ জুন এমন একটি বেঞ্চে মামলাটি তালিকাভুক্ত করা হোক, যেখানে বর্তমান বেঞ্চের কোনো বিচারপতি সদস্য থাকবেন না।

গত ৩০ মে দিল্লির একটি আদালত ২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলায় জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ, মূল অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখর এবং আরও ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের নির্দেশ দেয়। ওই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন জ্যাকলিন।

একই সময়ে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের দায়ের করা পৃথক একটি মামলায় সুকেশ চন্দ্রশেখর ও আরও ২০ জনের বিরুদ্ধে কঠোর মকোকা আইনসহ বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর আগে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের পর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তাদের অতিরিক্ত চার্জশিটে প্রথমবারের মতো জ্যাকলিন ফার্নান্দেজকে অভিযুক্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইডির দাবি, জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ নিয়মিতভাবে সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন এবং তার সহযোগী পিংকি ইরানির মাধ্যমে সুকেশের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মূল্যবান উপহার গ্রহণ করেছিলেন।

তদন্ত সংস্থার অভিযোগ অনুযায়ী, সুকেশ চন্দ্রশেখর কারাগারে অবস্থান করেই একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্র পরিচালনা করতেন। তিনি নিজেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলেন।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, ভুয়া পরিচয়, ফোনকল এবং এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবসায়ী অদিতি সিং ও তার পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

সূত্র: এনডিটিভি

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ