সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বিনোদন
৪:১৬ অপরাহ্ন, ১২ জুন ২০২৬

১৫ কোটি টাকার গাঁজাসহ মুম্বাই বিমানবন্দরে ভারতীয় মডেল গ্রেপ্তার

ভারতের মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ এক ভারতীয় মডেলকে গ্রেপ্তার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার হওয়া মাদকের বাজারমূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকার বেশি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। গ্রেপ্তার হওয়া ওই নারীর নাম হর্ষা সানি (২৮)। তিনি ‘মিসেস কেরালা ২০২৫’ প্রতিযোগিতার একজন সাবেক প্রতিযোগী হিসেবে পরিচিত। কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ১০ ও ১১ […]

১৫ কোটি টাকার গাঁজাসহ মুম্বাই বিমানবন্দরে ভারতীয় মডেল গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ভারতের মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ এক ভারতীয় মডেলকে গ্রেপ্তার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার হওয়া মাদকের বাজারমূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকার বেশি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

গ্রেপ্তার হওয়া ওই নারীর নাম হর্ষা সানি (২৮)। তিনি ‘মিসেস কেরালা ২০২৫’ প্রতিযোগিতার একজন সাবেক প্রতিযোগী হিসেবে পরিচিত।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ১০ ও ১১ জুন মধ্যরাতে ব্যাংকক থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার টিজি-৩৫১ ফ্লাইটে মুম্বাই বিমানবন্দরে পৌঁছান হর্ষা সানি। বিমানবন্দরে নিয়মিত নজরদারির সময় তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে এয়ার ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (এআইইউ) ও কাস্টমস কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন।

পরে তার লাগেজ তল্লাশি করে ট্রলি ব্যাগের ভেতর থেকে ভ্যাকুয়াম-সিল করা ১২টি প্লাস্টিকের প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্যাকেটগুলোর ভেতরে সবুজ রঙের একটি পদার্থ পাওয়া যায়, যা পরীক্ষা করে উচ্চমানের ‘হাইড্রোপনিক মারিজুয়ানা’ বা গাঁজা হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মাদকের মোট ওজন ১১ কেজিরও বেশি। ভারতীয় মুদ্রায় এর আনুমানিক মূল্য ১১ কোটি ৮২ লাখ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫ কোটি ২৮ লাখ টাকার সমান।

মাদক উদ্ধারের পর হর্ষা সানিকে নারকোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যান্সেস (এনডিপিএস) আইনের আওতায় গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে ফোর্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কাস্টমস বিভাগ জানিয়েছে, এই বিপুল পরিমাণ মাদক ভারতের কোথায় সরবরাহ করার পরিকল্পনা ছিল এবং এর পেছনে কোনো আন্তর্জাতিক চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা এখন হর্ষা সানির যোগাযোগ, ভ্রমণ ইতিহাস এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদকগুলো ব্যাংকক থেকে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল। তবে পুরো নেটওয়ার্ক শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত তদন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: এনডিটিভি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ