ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা হলে আন্তর্জাতিক বাজারে ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইসরায়েলের উসকানিতে এ ধরনের হামলা হলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তার প্রভাব নিয়ে জ্বালানি সরবরাহকারী ও ভোক্তা—উভয় পক্ষই উদ্বিগ্ন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ সতর্কবার্তা দেন আরাগচি। এর […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা হলে আন্তর্জাতিক বাজারে ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইসরায়েলের উসকানিতে এ ধরনের হামলা হলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তার প্রভাব নিয়ে জ্বালানি সরবরাহকারী ও ভোক্তা—উভয় পক্ষই উদ্বিগ্ন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ সতর্কবার্তা দেন আরাগচি।
এর আগে একই দিন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের কাছ থেকে আসা ‘অস্তিত্বের জন্য হুমকি’ দূর করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করতে পারেন তিনি। নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর নতুন সরকার গঠনের প্রচেষ্টার মধ্যেই তাঁর এ বক্তব্য আসে।
নেতানিয়াহুর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আরাগচি বলেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরায়েলের উসকানিতে কোনো সামরিক দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তার ভয়াবহ প্রভাব পড়বে। গ্যাস সরবরাহকারী দেশগুলোর পাশাপাশি ভোক্তাদের জন্যও বিষয়টি বড় উদ্বেগের কারণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
গত কয়েক দিনে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলার সম্ভাবনার কথা সামনে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়।
এদিকে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলোর ফোরামের (জিইসিএফ) সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন আব্বাস আরাগচি। একই সম্মেলনে উপস্থিত রয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
ইরানকে ঘিরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কার মধ্যে আরাগচির এই সতর্কবার্তা এসেছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত বাড়লে তার প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।