দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১৫ জনে। সোমবার (১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। […]
ছবি: সংগৃহীত
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১৫ জনে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৯৮১ জন শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৫০ জন। ১৫ মার্চ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গে শনাক্ত রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৮ জন। আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৯৩০ জন।
এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৮৭ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯১৩ জন।
মৃত্যুর হিসাব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৫ মার্চ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৮১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর বাইরে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯৯ শিশু। দুই হিসাব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট প্রাণহানি এখন ৯১৫ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চলমান নজরদারি ব্যবস্থায় প্রতিদিনের আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি, সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পাওয়া এবং মৃত্যুর তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
দেশে ২০২৬ সালে হামের পুনরুত্থান নিয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে প্রকাশিত একটি পরিস্থিতি বিশ্লেষণেও টিকাদানের ঘাটতি ও শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের উচ্চ হারকে বড় উদ্বেগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।