নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ১৭ হাজারের বেশি শিশুর জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ। সংস্থাটি বলছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জন্য দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করা না গেলে তাদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালে ইউনিসেফের প্রতিনিধি অ্যালিস আকুঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে […]
ছবি: সংগৃহীত
নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ১৭ হাজারের বেশি শিশুর জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ। সংস্থাটি বলছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জন্য দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করা না গেলে তাদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালে ইউনিসেফের প্রতিনিধি অ্যালিস আকুঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, অনেক শিশুর চোখের সামনেই তাদের জীবন ভয়াবহ বন্যার স্রোতে ভেসে গেছে। একই সঙ্গে বহু শিশু তাদের স্বজন ও প্রিয়জন হারিয়েছে।
আকুঙ্গার ভাষ্য, বন্যা থেকে যারা বেঁচে গেছে, তাদের জন্যও সংকট শেষ হয়নি। এসব শিশু এখন রোগ, অপুষ্টি, সহিংসতা এবং শোষণের তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
তিনি জানান, ইউনিসেফ ইতোমধ্যে দুর্গত এলাকাগুলোতে মাঠপর্যায়ে সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সব শিশুর কাছে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে সংস্থাটির আরও বেশি অর্থ ও মানবিক সম্পদ প্রয়োজন।
দুর্যোগের পুরো ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। এই পরিস্থিতিতে প্রাথমিক জরুরি ত্রাণ ও সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ইউনিসেফ ১ কোটি ৭২ লাখ ডলার সহায়তার আবেদন জানিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি টাকার কাছাকাছি।
ইউনিসেফ সতর্ক করে জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করা না গেলে বন্যাদুর্গত শিশু ও নারীদের জন্য সংস্থাটির বিভিন্ন জরুরি সেবা মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়তে পারে।
সংস্থাটি বলছে, নেপালের এই দুর্যোগে শিশুদের জন্য নিরাপদ পানি, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, সুরক্ষা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত প্রয়োজনীয় অর্থায়ন পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের কাছে এসব সহায়তা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
সূত্র: বিবিসি