গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে ক্রয়াদেশ সরিয়ে ভারতসহ অন্য বাজারের দিকে ঝুঁকতে পারেন। বিশেষ করে জুলাই-আগস্ট মৌসুমের অর্ডার ইতোমধ্যে কমতে শুরু করেছে বলেও তারা জানান। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজস্ব ভবনে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে […]
ছবি: সংগৃহীত
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে ক্রয়াদেশ সরিয়ে ভারতসহ অন্য বাজারের দিকে ঝুঁকতে পারেন। বিশেষ করে জুলাই-আগস্ট মৌসুমের অর্ডার ইতোমধ্যে কমতে শুরু করেছে বলেও তারা জানান।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজস্ব ভবনে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে ব্যবসায়ীরা এসব উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী বলেন, পোশাক খাতে উৎপাদন কমে যাওয়ায় রপ্তানিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তার ভাষায়, গত আট মাস ধরে টানা এ খাতে রপ্তানি নিম্নমুখী রয়েছে। এ অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে ডিজেল সংকট ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেখানে পর্যাপ্ত ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না, ফলে উৎপাদন কার্যক্রমেও প্রভাব পড়ছে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে গাজীপুর চেম্বারের প্রতিনিধি বলেন, দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ কারণে তারা নতুন অর্ডার দিতে দ্বিধায় পড়ছেন। তাই আগামী বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে সব ধরনের করছাড় দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে অতীতেও করছাড় দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ খাতে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
আলোচনায় ঢাকা, বাংলাদেশ, সিলেট, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কথাও তুলে ধরেন। একই সঙ্গে করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করা এবং করপোরেট করহার কমানোর দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।