দেশের শিল্প ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ গ্রহণ করেছেন জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক ও নির্মাতা হানিফ সংকেত। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী […]
ছবি: সংগৃহীত
দেশের শিল্প ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ গ্রহণ করেছেন জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক ও নির্মাতা হানিফ সংকেত। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
হানিফ সংকেত দীর্ঘদিন ধরে দেশের টেলিভিশন অঙ্গনে বহুমুখী প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তিনি একাধারে উপস্থাপক, নির্মাতা, লেখক, প্রযোজক, গায়ক, সুরকার ও গীতিকার হিসেবে পরিচিত। তার হাত ধরেই জনপ্রিয়তা পায় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’, যা প্রথম প্রচারিত হয় ১৯৮৯ সালের মার্চে বাংলাদেশ টেলিভিশনে।
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ‘ইত্যাদি’ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সামাজিক বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে ভিন্নধর্মী উপস্থাপনায়। ফলে অনুষ্ঠানটি শুধু বিনোদন নয়, বরং বাংলাদেশের এক ধরনের সাংস্কৃতিক প্রতিচ্ছবি হিসেবেও বিবেচিত হয়।
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এর আগে হানিফ সংকেত ২০১০ সালে একুশে পদকসহ জাতীয় পরিবেশ পদকও অর্জন করেন। এছাড়া তার অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’ বহুবার সেরা টেলিভিশন অনুষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছে। এবার তার দীর্ঘ কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে যুক্ত হলো স্বাধী