জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক ও নির্মাতা হানিফ সংকেত এবং প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ (মরণোত্তর)। ২০২৬ সালের জন্য মনোনীত স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় সাত নম্বরে রয়েছে হানিফ সংকেতের নাম এবং তার পরেই আট নম্বরে রাখা হয়েছে কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী বশির আহমেদের নাম, যিনি মরণোত্তর এই সম্মাননা পাচ্ছেন। এ […]
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক ও নির্মাতা হানিফ সংকেত এবং প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ (মরণোত্তর)।
২০২৬ সালের জন্য মনোনীত স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় সাত নম্বরে রয়েছে হানিফ সংকেতের নাম এবং তার পরেই আট নম্বরে রাখা হয়েছে কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী বশির আহমেদের নাম, যিনি মরণোত্তর এই সম্মাননা পাচ্ছেন।
এ বছরের তালিকার শুরুতেই রয়েছে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর নাম। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং নারীশিক্ষাসহ দেশ গঠনে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে মরণোত্তরভাবে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
জানা গেছে, এ বছর খালেদা জিয়াসহ মোট ২০ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হবে। ব্যক্তি ছাড়াও জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এই সম্মাননা দেওয়া হয়ে থাকে।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ-এর বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা হিসেবে এটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ বলে বিবেচিত।