নিউইয়র্কের আলোচিত ফ্যাশন আয়োজন মেট গালায় আবারও সবার দৃষ্টি কেড়েছেন ভারতের ব্যবসায়ী ইশা আম্বানি। সোমবার (৪ মে) রাতে মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্টের লাল গালিচায় তার উপস্থিতি ঘিরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। তার এই বিশেষ লুকটি তৈরি করতে লেগেছে প্রায় ১,২০০ ঘণ্টা, আর এতে কাজ করেছেন ৫০ জনেরও বেশি দক্ষ কারিগর। ইশা আম্বানি লাল গালিচায় হাজির […]
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কের আলোচিত ফ্যাশন আয়োজন মেট গালায় আবারও সবার দৃষ্টি কেড়েছেন ভারতের ব্যবসায়ী ইশা আম্বানি। সোমবার (৪ মে) রাতে মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্টের লাল গালিচায় তার উপস্থিতি ঘিরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়।
তার এই বিশেষ লুকটি তৈরি করতে লেগেছে প্রায় ১,২০০ ঘণ্টা, আর এতে কাজ করেছেন ৫০ জনেরও বেশি দক্ষ কারিগর।
ইশা আম্বানি লাল গালিচায় হাজির হন ডিজাইনার গৌরব গুপ্তার তৈরি এক অনন্য শাড়িতে, যেখানে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশ্রণ ফুটে উঠেছে। শাড়িটিতে খাঁটি সোনার সুতা ব্যবহার করা হয়েছে এবং নকশায় প্রাচীন ভারতীয় ফ্রেস্কো ও পিচওয়াই শিল্পকলার প্রভাব দেখা গেছে। এতে জারদৌজি, আরি এবং রিলিফ এমব্রয়ডারির সূক্ষ্ম কারুকাজ যুক্ত ছিল।
তার ব্লাউজেও ছিল বিশেষ আকর্ষণ। এতে বসানো হয় নীতা আম্বানির ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে নেওয়া ২০০টিরও বেশি পুরোনো কাটের হীরা। গলায় তিনি পরেছিলেন ২৫০ ক্যারেটের বেশি ওজনের ডাবল-লেয়ার ডায়মন্ড নেকলেস। এর সঙ্গে ছিল হাতফুল ও হীরার কোমরবন্ধ, যা পুরো সাজকে আরও রাজকীয় করে তোলে।
অ্যাক্সেসরিজেও ছিল ভিন্নতা। ইশা বহন করেন সুবোধ গুপ্তের তৈরি একটি ক্রোশে ব্যাগ, যাতে আমের ভাস্কর্য যুক্ত ছিল—যা ভারতীয় ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া তার চুলের সাজে গাজরা-অনুপ্রাণিত একটি ভাস্কর্য ব্যবহার করা হয়, যা কাগজ, তামা ও পিতল দিয়ে হাতে তৈরি করেন শিল্পী সৌরভ গুপ্ত।
সব মিলিয়ে, এবারের মেট গালায় ইশা আম্বানির উপস্থিতি ছিল ঐতিহ্য, শিল্প ও বিলাসিতার এক অনন্য সংমিশ্রণ, যা আন্তর্জাতিক ফ্যাশন অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।