জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও প্রবাসী যোদ্ধাদের সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৪ আগস্ট) জোহানসবার্গের ফোর্ডসবার্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাউথ আফ্রিকার উদ্যোগে জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণে আলোচনা সভা হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি মাওলানা মাজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেক্রেটারি মীর মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দূতাবাসের প্রথম সচিব ড. জাকির হোসেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন- ইসলামিক […]
জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও প্রবাসী যোদ্ধাদের সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৪ আগস্ট) জোহানসবার্গের ফোর্ডসবার্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাউথ আফ্রিকার উদ্যোগে জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণে আলোচনা সভা হয়েছে।
সংগঠনের সভাপতি মাওলানা মাজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেক্রেটারি মীর মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দূতাবাসের প্রথম সচিব ড. জাকির হোসেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন- ইসলামিক ফোরাম অব আফ্রিকা’র সম্মানিত সভাপতি আলী আকবর, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেরাজ মিয়া, কমিউনিটি নেতা অ্যাডভোকেট আশরাফুল করিম, নেক মানি আফ্রিকার সিইও কাজী ফরহাদ কামাল, ইসলামিক ফোরাম অব আফ্রিকার কেন্দ্রীয় পরামর্শ সভার সদস্য ও ঘাউটেং প্রভিন্সের সভাপতি শরীফ উদ্দিন, ঘাউটেং প্রভিন্সের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, মুসলিম সোসাইটির সেক্রেটারি মাওলানা খলিলুর রহমান, কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলের সভাপতি আব্দুর রহিম, শাপলা টিভির সিও নোমান মাহমুদ, যমুনা টিভি আফ্রিকার প্রতিনিধি নুরুল আলমসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
এ সময় স্মারক গ্রহণ করেন শাপলা টিভির সিইও নোমান মাহমুদ, যমুনা টিভি আফ্রিকা প্রতিনিধি নুরুল আলম, দৈনিক যুগান্তর আফ্রিকা প্রতিনিধি শরীফ উদ্দিন, সময়ের কণ্ঠস্বর দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম, হাসিবুর রহমান, আবু বকর সিদ্দিক সাগর, গিয়াস উদ্দিন কিরন, রবিউল হাসান টিপু, ইমাম হোসেন সোহেল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রবাসীদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারনেটবিহীন একটি দেশের আন্দোলনকে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স শাটডাউনসহ নানা উপায়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরেন। এতে জুলাই-আগস্টের আন্দোলন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও গতি পেয়েছে।
সভায় শহীদ আবু সাঈদসহ সব শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। আহত, পঙ্গুত্বপ্রাপ্ত ও দৃষ্টিশক্তি হারানো বীর যোদ্ধাদের অবদান শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করা হয়। শহীদ ও আহতদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মিরাজ মিয়া বলেন, আমি ’৭১-এ যুদ্ধে অংশ নিয়েছি এবং ’২৪-এ ছাত্র জনতার আন্দোলনও নিজের চোখে দেখেছি। কোনোটাকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই।
বক্তারা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি করেন।