টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গ থেকে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। প্রিয়জনদের শেষবারের মতো দেখতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ভিড় করেন নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়রা। সেখানে শোক ও কান্নার পরিবেশ তৈরি হয়। ফায়ার সার্ভিস ও […]
ছবি: সংগৃহীত
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গ থেকে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
প্রিয়জনদের শেষবারের মতো দেখতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ভিড় করেন নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়রা। সেখানে শোক ও কান্নার পরিবেশ তৈরি হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, নিহতদের বেশিরভাগই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। নিহত ১৫ জনের মধ্যে ১০ জন নওগাঁ জেলার, দুইজন চাঁপাইনবাবগঞ্জের এবং একজন করে রাজশাহী, কুষ্টিয়া ও নাটোর জেলার বাসিন্দা।
নিহতরা মূলত হকার ও ফেরিওয়ালা হিসেবে কাজ করতেন। তারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে চুল ও ভাঙারি মোবাইল কেনাবেচা করতেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন নওগাঁর মান্দা উপজেলার সাগর মিয়া, রবিউল ইসলাম, মো. বারিক, বাদশা, গিয়াস, মাইনুল, ইয়াকুব, তারেক, মাইনুল ও সুজন। এছাড়া রাজশাহীর ইসমাইল হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নজরুল ও মামুন, কুষ্টিয়ার হাসান আলী এবং নাটোরের মোহাম্মদ আলম মোল্লাও নিহতদের তালিকায় রয়েছেন।
ভয়াবহ এই দুর্ঘটনাটি ঘটে সোমবার ভোরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা মহাসড়কের কালিহাতী এলাকায়। উত্তরাঞ্চলগামী একটি রডবোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেলে ঘটনাস্থলেই ১৫ জন নিহত হন।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর থেকেই ট্রাকের চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
যমুনা সেতু পূর্ব থানার উপপরিদর্শক আব্দুল হান্নান বলেন, নিহতদের পরিচয় শনাক্তের পর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।