নিউইয়র্কের কুইন্সের জ্যামাইকা এলাকায় আগামী ১৯ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুসাংস্কৃতিক কমিউনিটি উৎসব ‘ভালো মেলা ২০২৬’। স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ভালো (বিএইচএএলও)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান বিকেল ৩টা থেকে শুরু হবে। আয়োজকদের মতে, নিউইয়র্কের বহুজাতিক ও বহুসাংস্কৃতিক সমাজের মানুষকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসাই এই মেলার প্রধান উদ্দেশ্য। গত বছরের সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবার আরও […]
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কের কুইন্সের জ্যামাইকা এলাকায় আগামী ১৯ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুসাংস্কৃতিক কমিউনিটি উৎসব ‘ভালো মেলা ২০২৬’। স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ভালো (বিএইচএএলও)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান বিকেল ৩টা থেকে শুরু হবে।
আয়োজকদের মতে, নিউইয়র্কের বহুজাতিক ও বহুসাংস্কৃতিক সমাজের মানুষকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসাই এই মেলার প্রধান উদ্দেশ্য। গত বছরের সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবার আরও বড় পরিসরে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হচ্ছে।
মেলার ভেন্যু হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে কুইন্সের হিলসাইড অ্যাভিনিউয়ের ১৭৩ স্ট্রিট থেকে ১৭৫ স্ট্রিট পর্যন্ত এলাকা। দিনব্যাপী এ উৎসবে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, খাদ্য ও কমিউনিটি কার্যক্রমের সমন্বয়ে বৈচিত্র্যময় আয়োজন থাকবে।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্টল, স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, হস্তশিল্প প্রদর্শনী এবং শিশু-কিশোরদের জন্য বিশেষ বিনোদনমূলক কার্যক্রম। আয়োজকরা আশা করছেন, এ আয়োজন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক যোগাযোগ আরও জোরদার করবে।
এবারের মেলায় কমিউনিটি পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটি, এলহাম একাডেমি, সাপ্তাহিক ঠিকানা এবং বেঙ্গলিস অব নিউইয়র্ক (বনি)। এছাড়া নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের ডেপুটি স্পিকার ড. নানতাশা উইলিয়ামস সহযোগী অংশীদার হিসেবে অনুষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, মেলায় অংশ নিতে আগ্রহী বিক্রেতা ও স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য অনলাইন নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। কিউআর কোডের মাধ্যমে সহজেই নিবন্ধন করা যাবে।
ভালো (বিএইচএএলও)-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘ভালো মেলা’ শুধু বিনোদনের আয়োজন নয়; এটি বিভিন্ন সংস্কৃতি, ভাষা ও জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং সামাজিক বন্ধন শক্তিশালী করার একটি উদ্যোগ। নিউইয়র্কের বৈচিত্র্যময় কমিউনিটির মধ্যে সম্প্রীতি ও সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতেই এ আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বিপুল সংখ্যক মানুষ এ উৎসবে অংশ নেবেন এবং এটি কুইন্সের অন্যতম প্রাণবন্ত কমিউনিটি আয়োজন হিসেবে নতুন মাত্রা যোগ করবে।