সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

উত্তর আমেরিকা
৪:৩৬ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিতের প্রস্তাব আবারও সিনেটে ব্যর্থ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানবিষয়ক সামরিক ক্ষমতা সীমিত করতে ডেমোক্র্যাটদের আনা ‘ওয়ার পাওয়ার্স রেজল্যুশন’ আবারও মার্কিন সিনেটে ব্যর্থ হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি ৪৭–৫২ ভোটে নাকচ হয়, ফলে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসন আপাতত বড় স্বস্তি পেল। সিনেট সূত্রে জানা গেছে, ডেমোক্র্যাটদের আনা এই […]

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিতের প্রস্তাব আবারও সিনেটে ব্যর্থ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানবিষয়ক সামরিক ক্ষমতা সীমিত করতে ডেমোক্র্যাটদের আনা ‘ওয়ার পাওয়ার্স রেজল্যুশন’ আবারও মার্কিন সিনেটে ব্যর্থ হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি ৪৭–৫২ ভোটে নাকচ হয়, ফলে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসন আপাতত বড় স্বস্তি পেল।

সিনেট সূত্রে জানা গেছে, ডেমোক্র্যাটদের আনা এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন রিপাবলিকান সিনেটর র‍্যান্ড পল, যা ছিল দলীয় অবস্থানের বাইরে একটি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যান প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ার রিপাবলিকান সিনেটর জিম জাস্টিস ভোটদানে বিরত থাকেন। ()

ইরান সংঘাত শুরুর পর এটি চতুর্থবারের মতো সিনেটে এমন প্রস্তাব ব্যর্থ হওয়ার ঘটনা। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে কংগ্রেসের ভূমিকা আরও জোরালো হওয়া উচিত বলে রিপাবলিকান দলের ভেতর থেকেও কিছু উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে। ১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ৬০ দিনের বেশি সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে পারেন না। প্রয়োজনে আরও ৩০ দিনের অতিরিক্ত সময় নেওয়ার সুযোগ থাকলেও সেই সময়সীমা মে মাসের শুরুতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

রিপাবলিকান সিনেটর লিসা মুরকোস্কি বলেছেন, যুদ্ধ যেহেতু দীর্ঘ হচ্ছে, তাই কংগ্রেসের সাংবিধানিক ভূমিকা আরও পরিষ্কারভাবে সামনে আসা দরকার। একই সুরে সিনেট মেজরিটি লিডার জন থুন প্রশাসনের কাছে যুদ্ধের একটি সুস্পষ্ট এক্সিট প্ল্যান বা সমাপ্তির কৌশল চেয়েছেন। এছাড়া সিনেটর জন কার্টিস ও সুসান কলিন্স ইঙ্গিত দিয়েছেন, ৬০ দিনের সীমা পেরিয়ে গেলে অথবা স্থলবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত এলে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন অপরিহার্য হয়ে উঠবে।

এদিকে সাম্প্রতিক জনমত জরিপেও যুদ্ধ নিয়ে আমেরিকানদের মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন দেখা গেছে। বিভিন্ন জরিপে অধিকাংশ ভোটার, বিশেষ করে ডেমোক্র্যাট সমর্থকরা, এই সংঘাতকে সমর্থন করছেন না। ফলে সিনেটের ভোটে প্রস্তাবটি ব্যর্থ হলেও ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ কমছে না।

হোয়াইট হাউস এখনো যুদ্ধ কীভাবে শেষ হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো পরিকল্পনা প্রকাশ না করায় কংগ্রেসে নতুন করে বিতর্ক তীব্র হচ্ছে। প্রতিনিধি পরিষদেও একই ধরনের একটি প্রস্তাব ভোটে উঠতে পারে, যা আগামী দিনগুলোতে ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ