প্রয়াত মার্কিন ধনকুবের ও দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের কারাগার থেকে উদ্ধার হওয়া একটি রহস্যময় নোট প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত। দীর্ঘ তদন্ত ও গোপনীয়তা বজায় রাখার পর বুধবার নোটটি প্রকাশ করা হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক পৃষ্ঠার ওই নোটে মাত্র সাতটি লাইন লেখা ছিল। সেখানে একটি লাইনে উল্লেখ করা […]
ছবি: সংগৃহীত
প্রয়াত মার্কিন ধনকুবের ও দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের কারাগার থেকে উদ্ধার হওয়া একটি রহস্যময় নোট প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত। দীর্ঘ তদন্ত ও গোপনীয়তা বজায় রাখার পর বুধবার নোটটি প্রকাশ করা হয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক পৃষ্ঠার ওই নোটে মাত্র সাতটি লাইন লেখা ছিল। সেখানে একটি লাইনে উল্লেখ করা হয়, “বিদায়বেলা নিজেই নির্ধারণ করতে পারা আনন্দের।”
আরেকটি অংশে লেখা ছিল, “তুমি কি চাও, আমি কান্না শুরু করি? এতে কোনো আনন্দ নেই, এসবের মূল্যও নেই।”
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, ২০১৯ সালের ১০ জুলাই কারাগারে প্রথমবার আত্মহত্যার চেষ্টা করার আগে এপস্টিন এই নোট লিখে থাকতে পারেন। সে সময় তার বিরুদ্ধে যৌন পাচার ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের শোষণের গুরুতর অভিযোগের বিচার শুরুর প্রস্তুতি চলছিল।
তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও কিছু ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। কারণ, একই সময়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের কাছে এপস্টিন আত্মহত্যার বিপক্ষে নিজের অবস্থানের কথাও জানিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
এপস্টিনের সঙ্গে একই কারাগারে থাকা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ও হত্যাকাণ্ডের আসামি নিকোলাস টার্টাগ্লিওনের দাবি, তিনি একটি বইয়ের ভেতরে নোটটি খুঁজে পেয়েছিলেন।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নোটের একটি লাইন এখনো পুরোপুরি স্পষ্টভাবে পড়া যায়নি। এছাড়া এটি সত্যিই এপস্টিনের হাতে লেখা কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১০ আগস্ট নিউইয়র্কের একটি কারাগারে জেফ্রি এপস্টিনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। সে সময় কর্তৃপক্ষ জানায়, তিনি কারাগারের ভেতর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন।