সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

উত্তর আমেরিকা
২:৩৪ পিএম, ২৬ জুন ২০২৬

গোপন নথি অব্যবস্থাপনার অভিযোগ, দোষ স্বীকার করলেন ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন গোপন তথ্য সংরক্ষণে অনিয়মের অভিযোগে দায় স্বীকার করেছেন। সংবেদনশীল জাতীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত তথ্য যথাযথ নিয়ম মেনে সংরক্ষণ না করার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মোট ১৮টি অভিযোগ আনা হয়েছিল। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতে শুনানির সময় বোল্টন একটি অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। এর আগে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার […]

গোপন নথি অব্যবস্থাপনার অভিযোগ, দোষ স্বীকার করলেন ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন গোপন তথ্য সংরক্ষণে অনিয়মের অভিযোগে দায় স্বীকার করেছেন। সংবেদনশীল জাতীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত তথ্য যথাযথ নিয়ম মেনে সংরক্ষণ না করার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মোট ১৮টি অভিযোগ আনা হয়েছিল।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতে শুনানির সময় বোল্টন একটি অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। এর আগে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, বোল্টনের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর বড় অংশই তার স্মৃতিকথা The Room Where It Happened প্রকাশের প্রস্তুতির সময় তৈরি করা ব্যক্তিগত নোট ও ডায়েরির সঙ্গে সম্পর্কিত। এসব নথিতে জাতীয় নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট গোপন তথ্য সংরক্ষিত ছিল বলে অভিযোগ করেছে প্রসিকিউশন।

প্রসিকিউটরদের মতে, তিনি অবৈধভাবে জাতীয় প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংবেদনশীল তথ্য নিজের কাছে রেখেছিলেন। এ অপরাধে তার সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, যদিও চূড়ান্ত শাস্তির সিদ্ধান্ত আদালতের ওপর নির্ভর করবে।

প্লি চুক্তির অংশ হিসেবে জন বোল্টন ২২ লাখ ৫০ হাজার ডলার জরিমানা দিতে সম্মত হয়েছেন। পাশাপাশি তাকে ১০০ ঘণ্টা জনসেবামূলক কাজে অংশ নিতে হবে এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কাছে সংশ্লিষ্ট তথ্যের উৎস ও ব্যবহারের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।

আগামী ২৮ অক্টোবর মামলার সাজা ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

মামলার শুনানি শেষে মার্কিন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনায় জন বোল্টনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ছিল এবং তিনি এসব নথির সংবেদনশীলতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত ছিলেন। তাই তার এই অবহেলা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ছিল বলে মনে করছে সরকার।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ট্রাম্প প্রশাসন থেকে বিদায় নেওয়ার পর জন বোল্টন সাবেক প্রেসিডেন্টের অন্যতম কড়া সমালোচকে পরিণত হন। পরবর্তীতে প্রকাশিত তার স্মৃতিকথায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত ও মতবিরোধের বিষয় উঠে আসে, যা সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হওয়ার আগে বোল্টন United Nations-এ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ