সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

রাজনীতি
৫:২১ পিএম, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: তদন্তে ডিভাইস চায় ডিবি, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগের আট মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ঘটনার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। মামলার তদন্ত এগিয়ে নিতে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনসহ সংশ্লিষ্ট ডিভাইসগুলো চেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে বাদীপক্ষকে অন্তত তিনবার চিঠিও দেওয়া হয়েছে। তবে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য […]

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: তদন্তে ডিভাইস চায় ডিবি, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগের আট মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ঘটনার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। মামলার তদন্ত এগিয়ে নিতে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনসহ সংশ্লিষ্ট ডিভাইসগুলো চেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে বাদীপক্ষকে অন্তত তিনবার চিঠিও দেওয়া হয়েছে। তবে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য এখনো ডিভাইসগুলো ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়নি।

মামলার বাদী মো. সিরাজুল ইসলাম ডিবির চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ডিভাইস দিতে তাঁরা অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন না। তবে এসব ডিভাইসের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ রয়েছে। এ বিষয়ে ডিবির কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের উপস্থিতিতে ডিভাইসের ফরেনসিক পরীক্ষা করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

সিরাজুল ইসলাম আরও জানান, মামলা দায়েরের সময় হ্যাকিং-সংক্রান্ত কিছু গবেষণাপত্র এবং সরকারি সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্র থেকে অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়ে থাকতে পারে—এমন ধারণার পক্ষে কিছু নথি ও প্রমাণপত্র ডিবিকে দেওয়া হয়েছিল।

মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ বলছে, হ্যাকিংয়ের উৎস শনাক্ত করতে মূল ডিভাইসের ফরেনসিক পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আইপি ঠিকানা, লগইন সেশন এবং কোনো ম্যালওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

গত এপ্রিল মাসে আদালত ডিভাইস জব্দ ও পরীক্ষার অনুমতি দেন। আগামী নভেম্বর মাসে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ নির্ধারিত রয়েছে। এদিকে, ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে এক্স কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে এখনো তাদের কাছ থেকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।

এ মামলায় বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাঁর দাবি, ডিবির তল্লাশির পর তাঁর ব্যবহৃত কম্পিউটার ও ল্যাপটপ ফেরত দেওয়া হলেও সেগুলো থেকে কোনো ফরেনসিক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরখাস্ত হওয়া এই কর্মকর্তা নিজেকে নিরপরাধ দাবি করে বলেছেন, জামায়াত আমিরের ব্যবহৃত ডিভাইস পরীক্ষা না হওয়ায় তদন্তের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মজীবী নারীদের উদ্দেশে একটি বিতর্কিত পোস্ট প্রকাশিত হয়। পোস্টটি ঘিরে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে জামায়াতের পক্ষ থেকে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার দাবি করা হয়। এ ঘটনায় সরকারি ই-মেইল ব্যবহারের অভিযোগসহ মামলা দায়ের করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো, দৈনিক ইত্তেফাক

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ