আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে ঝুঁকি ও ভীতি তৈরির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে তেহরানের সঙ্গে দ্রুত একটি কার্যকর কূটনৈতিক সমঝোতা বা চুক্তির মাধ্যমে সংকট সমাধানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগ্রহী বলে জানিয়েছেন তিনি। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে ট্রাম্প সামরিক […]
আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে ঝুঁকি ও ভীতি তৈরির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে তেহরানের সঙ্গে দ্রুত একটি কার্যকর কূটনৈতিক সমঝোতা বা চুক্তির মাধ্যমে সংকট সমাধানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগ্রহী বলে জানিয়েছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজছেন। জেডি ভ্যান্স জানান, ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া হয়নি। তাঁর ভাষ্য, আগের মার্কিন প্রশাসন যেসব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ এড়িয়ে চলত, ট্রাম্প প্রশাসন তাদের সঙ্গেও সরাসরি আলোচনায় বসার ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখিয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-সংক্রান্ত উত্তেজনার কারণে জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। রয়টার্সের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি এবং বৈশ্বিক জ্বালানির দামে চাপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিলেও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক বিকল্প পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ভ্যান্স। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পরিস্থিতির প্রয়োজনে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার কর্তৃত্ব প্রেসিডেন্টের রয়েছে।
তবে ভ্যান্সের ভাষ্য, ট্রাম্প সংঘাত আরও বাড়ানোর পরিবর্তে দ্রুত একটি টেকসই চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। এর আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতির কথাও প্রকাশ্যে এসেছে।
জেডি ভ্যান্স জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে মার্কিন অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, সে বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবগত। আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে, অর্থাৎ প্রায় ছয় সপ্তাহের মধ্যে, এই জটিলতার একটি সমাধানে পৌঁছাতে তিনি আগ্রহী বলে জানান ভ্যান্স।
তবে এত অল্প সময়ের মধ্যে ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। তারপরও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ভ্যান্স।
রয়টার্স জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্প ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনার কথা বলেছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।