টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বন্দরের বিভিন্ন শেড ও ইয়ার্ডে পানি ঢুকে পড়ায় কোটি কোটি টাকার আমদানিকৃত ও রপ্তানির জন্য সংরক্ষিত পণ্য পানিতে ভিজে ক্ষতির মুখে পড়েছে। বন্দর ব্যবহারকারীদের অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনের দুর্বল ব্যবস্থা এবং সরু ড্রেনের কারণে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কয়েক […]
ছবি: সংগৃহীত
টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বন্দরের বিভিন্ন শেড ও ইয়ার্ডে পানি ঢুকে পড়ায় কোটি কোটি টাকার আমদানিকৃত ও রপ্তানির জন্য সংরক্ষিত পণ্য পানিতে ভিজে ক্ষতির মুখে পড়েছে।
বন্দর ব্যবহারকারীদের অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনের দুর্বল ব্যবস্থা এবং সরু ড্রেনের কারণে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কয়েক দিনের অব্যাহত বৃষ্টিতে বন্দরের তিন নম্বর গেটসংলগ্ন পাঁচটি শেডে বিভিন্ন ধরনের পণ্য পানিতে তলিয়ে গেছে।
আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রফিকুল ইসলাম ও আরমান হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে পণ্য নষ্ট হলেও আমদানিকারকরা কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ পান না। ফলে আর্থিক ক্ষতির পুরো দায় ব্যবসায়ীদেরই বহন করতে হয়।
বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ী আব্দুল অলিম বলেন, কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় বন্দর এলাকায় চলাচলও কঠিন হয়ে পড়েছে। তার দাবি, কয়েকটি গুদামে পানি ঢুকে অনেক ব্যবসায়ীর লাখ লাখ টাকার পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিবছর বন্দরের বিভিন্ন ফি বৃদ্ধি পেলেও অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের কারণে বর্ষা এলেই জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে সমস্যার সমাধান হয়নি।
এ বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক কাজী রতন জানান, কয়েকটি শেডে সংরক্ষিত পণ্য পানিতে ভিজেছে। পানি অপসারণে পাওয়ার পাম্প ব্যবহার করে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা চলছে। তবে অবিরাম বৃষ্টির কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি বলেন, বৃষ্টি কমে গেলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান বন্দর কর্তৃপক্ষ।