একসময় বাংলা নাটকের পর্দায় দর্শকদের মুগ্ধ করা অভিনেতা রিফাত চৌধুরী বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর শুরুতে কোনো বেড না পেয়ে তাঁকে দুই দিন ফ্লোরে থাকতে হয়। পরে সোমবার রাতে তাঁকে একটি কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তাঁর অসুস্থতার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর শোবিজ অঙ্গনে রিফাত […]
ছবি: সংগৃহীত
একসময় বাংলা নাটকের পর্দায় দর্শকদের মুগ্ধ করা অভিনেতা রিফাত চৌধুরী বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর শুরুতে কোনো বেড না পেয়ে তাঁকে দুই দিন ফ্লোরে থাকতে হয়। পরে সোমবার রাতে তাঁকে একটি কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তাঁর অসুস্থতার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর শোবিজ অঙ্গনে রিফাত চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা সংকট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। একই রাতে তাঁকে হাসপাতালের কেবিনে নেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রিফাত চৌধুরী নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সোমবার রাতে তাঁকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি বেড রেস্টে রয়েছেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তাঁর মেডিকেল ফাইল পর্যালোচনা করে চিকিৎসা শুরু করা হবে।
শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি চিকিৎসার ব্যয়ও এখন বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অভিনেতার জন্য। শুরু থেকেই তাঁর পাশে রয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ও কবি অমিতাভ অরণ্য।
তিনি জানান, রিফাত চৌধুরীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন। অভিনেতার নিজের কোনো ব্যাংক বা বিকাশ অ্যাকাউন্ট না থাকায় সহযোগিতা করতে আগ্রহীরা অমিতাভ অরণ্যের বিকাশ পারসোনাল অ্যাকাউন্টে অর্থ সহায়তা পাঠাতে পারবেন।
অমিতাভ অরণ্য বলেন, কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে তাঁর বিকাশ পারসোনাল অ্যাকাউন্ট ০১৯৩৪-৭৪১৪৫০ নম্বরে অনুদান পাঠাতে পারেন। সেই অর্থ যথাযথভাবে রিফাত চৌধুরীর চিকিৎসার জন্য পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অমিতাভ অরণ্য জানান, রিফাত চৌধুরী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন ইউনিট-৩-এর দশম তলার ১০৩ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি জানান, অভিনেতার বেশিরভাগ পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার আরও দুটি পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। এসব পরীক্ষা শেষে তাঁর মূল চিকিৎসা শুরু হবে।
রিফাত চৌধুরী মূলত পা ও কোমরের সমস্যায় ভুগছেন। এ কারণে তিনি ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে পারেন না।
পরিবার থেকেও দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে অনেকটা একাকী জীবন কাটাচ্ছিলেন এই অভিনেতা। অসুস্থ হওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত তাঁকে একাই হাসপাতালে যেতে হয়েছে বলে জানা গেছে।