সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

জাতীয়
১:২৩ পূর্বাহ্ন, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নারীর অবদানসমূহ দৃশ্যমানে হতে হবে: সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, নারীর অদৃশ্য অবদানসমূহ দৃশ্যমানে হতে হবে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁও পরিসংখ্যান ভবনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রণীত ‘আনপেইড হাউজহোল্ড প্রোডাকশন স্যাটেলাইট একাউন্ট অব বাংলাদেশ’ বিষয়ক প্রতিবেদনের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি। উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং ইউএন উইমেন […]

নারীর অবদানসমূহ দৃশ্যমানে হতে হবে: সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, নারীর অদৃশ্য অবদানসমূহ দৃশ্যমানে হতে হবে।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁও পরিসংখ্যান ভবনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রণীত ‘আনপেইড হাউজহোল্ড প্রোডাকশন স্যাটেলাইট একাউন্ট অব বাংলাদেশ’ বিষয়ক প্রতিবেদনের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং ইউএন উইমেন বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে এ গবেষণায় নারীর অবৈতনিক কাজ দেশের অর্থনীতির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং কেন এই কাজে স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি তা প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি বলেন, মানবসভ্যতার উৎকর্ষ আর অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে কি ঘরে, কি বাইরে প্রতিটি মানুষের অবদান রয়েছে।

শারমীন মুরশিদ বলেন, বিশেষ করে নারীরা সাম্যের জন্য কাঙ্গাল। বিবিএস এর ২০২১ সালের জরিপ অনুযায়ী নারীরা গড়ে পুরুষের তুলনায় ৭ দশমিক ৩ গুণ বেশি সময় অবৈতনিক কাজে (গৃহস্থলী ও যত্নমূলক কাজ) ব্যয় করেন। কিন্তু, আমাদের ভাইয়েরা বুঝতে চায় না যে, নারীরা যে পরিমাণ কাজ করে তার মূল্যায়ন এবং স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, নারীর অবৈতনিক কাজের স্বীকৃতি প্রদান করার জন্য জাতীয় সমন্বয় স্থাপন করার লক্ষ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় কাঠামো গড়ে তোলা দরকার।

উপদেষ্টা বলেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক নীতিতে যত্নমূলক কাজ বা কেয়ারকে সংযুক্ত করার জন্য রাজস্ব, শ্রম এবং সামাজিক সুরক্ষা নীতিতে লিঙ্গকে গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা, কর্মসূচি ও বাজেট প্রণয়ন করা উচিৎ।

নারীদের অধিকার দিয়ে পরবর্তী জাতীয় উন্নয়ন কৌশল প্রণয়ন করা প্রয়োজন। বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করে মর্যাদাপূর্ণ কেয়ার গিভিং চাকরি, জেন্ডার সমতাভিত্তিক কর্মক্ষেত্র নীতি এবং কেয়ার অবকাঠামোয় বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা উচিৎ।

শ্রম অধিকার ও কেয়ার সম্পর্কিত বিধি-বিধান বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানদন্ডের সঙ্গে বেসরকারি খাতের কার্যক্রম সম্মানিত করা দরকার।

তিনি বলেন, সমাজ পাল্টাচ্ছে। সমাজের বিবর্তনে আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে গবেষণালব্ধ কাজ করতে পারি তাহলে এদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারব।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ