উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে বাংলা নববর্ষের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করেছে এএএনএসইউ ইউএসএ চ্যাপ্টার। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়। অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আড্ডা এবং আনন্দঘন মুহূর্ত। ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পোশাকে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীরা মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পাশাপাশি […]
ছবি: সংগৃহীত
উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে বাংলা নববর্ষের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করেছে এএএনএসইউ ইউএসএ চ্যাপ্টার। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আড্ডা এবং আনন্দঘন মুহূর্ত। ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পোশাকে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীরা মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পাশাপাশি দেশীয় খাবারের আয়োজন এবং দীর্ঘদিন পর বন্ধু ও সহপাঠীদের সঙ্গে পুনর্মিলন অনুষ্ঠানটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নিউইয়র্কের বুকে এমন আয়োজন আবারও প্রমাণ করেছে যে দেশ থেকে হাজার মাইল দূরে অবস্থান করলেও প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিজেদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং উৎসবকে গভীরভাবে ধারণ করে চলেছেন।
তারা আরও বলেন, এএএনএসইউ ইউএসএ চ্যাপ্টারের এই উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
অনুষ্ঠান সফল করতে আয়োজক ও স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে আলী, ফিরোজ, বান্না, রিশাদ, অপু, জুনায়েদসহ সিনিয়র ও জুনিয়র সদস্যরা বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।
আয়োজকরা জানান, পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন ছিল ঐক্য, বন্ধুত্ব, নস্টালজিয়া এবং প্রবাসে বাঙালি পরিচয়ের এক উজ্জ্বল প্রকাশ। তাদের মতে, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলা সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা ও সংযোগ আরও দৃঢ় করতে সহায়তা করবে।
বিদেশের মাটিতে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের এই আয়োজন প্রমাণ করেছে, দূরত্ব যতই হোক না কেন, বাঙালির সংস্কৃতি ও শিকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট থাকে।