হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যার দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও নেপালে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান থামেনি। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে থাকা কয়েকজনকে এখনও জীবিত উদ্ধারের আশা করছেন উদ্ধারকারীরা। বুধবারও নিখোঁজদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে। গত ২৬ আগস্ট চীন-নেপাল সীমান্ত এলাকা থেকে হঠাৎ নেমে আসে পানির ঢল। এর সঙ্গে কাদা ও ধ্বংসাবশেষ মিশে ভয়াবহ স্রোত তৈরি […]
ছবি: সংগৃহীত
হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যার দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও নেপালে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান থামেনি। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে থাকা কয়েকজনকে এখনও জীবিত উদ্ধারের আশা করছেন উদ্ধারকারীরা। বুধবারও নিখোঁজদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে।
গত ২৬ আগস্ট চীন-নেপাল সীমান্ত এলাকা থেকে হঠাৎ নেমে আসে পানির ঢল। এর সঙ্গে কাদা ও ধ্বংসাবশেষ মিশে ভয়াবহ স্রোত তৈরি হয়। অনেকটা সুনামির মতো শক্তিশালী সেই স্রোতে নেপাল ও চীনের সীমান্তবর্তী এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৫৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৫ হাজার ৩২৬ জন।
নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেট এএফপিকে বলেন, ত্রিশূলী ৩এ, ৩বি ও চিলিমে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গগুলোতে উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান চলছে।
উদ্ধারকারীরা এরই মধ্যে সুড়ঙ্গের গভীর অংশ থেকে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। শুক্রবার দুই নেপালি নাগরিক এবং শনিবার একজন চীনা নাগরিককে উদ্ধার করা হয়।
এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় দেশটিতে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৫১৯ জন।
নিখোঁজদের মধ্যে শত শত বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। পাশাপাশি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর কয়েকশ কর্মীরও কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
উদ্ধারকারীরা বলছেন, দুর্গম এলাকা, ধ্বংসস্তূপ এবং সুড়ঙ্গের ভেতরে জমে থাকা কাদা ও পানি সরিয়ে নিখোঁজদের খুঁজে বের করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা থাকায় অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।