যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট সম্প্রতি বেশ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তের কৃতিত্ব নিজের প্রশাসনের বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও ওয়ালমার্টের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো ভূমিকার উল্লেখ করা হয়নি। মূল্যস্ফীতি নিয়ে সমালোচনার মুখে থাকা ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, তার প্রশাসনের অনুরোধেই ওয়ালমার্ট দাম কমানোর […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট সম্প্রতি বেশ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তের কৃতিত্ব নিজের প্রশাসনের বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও ওয়ালমার্টের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো ভূমিকার উল্লেখ করা হয়নি।
মূল্যস্ফীতি নিয়ে সমালোচনার মুখে থাকা ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, তার প্রশাসনের অনুরোধেই ওয়ালমার্ট দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নিজের পোস্টে তিনি লেখেন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে তার প্রশাসনের আহ্বানে ওয়ালমার্ট বিভিন্ন পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে। তিনি বিশেষভাবে জানান, গরুর কিমার দাম প্রায় ১৫ শতাংশ কমানো হচ্ছে। পাশাপাশি আরও অনেক পণ্যের দামও হ্রাস করা হবে।
তবে ট্রাম্পের এই দাবির পর ওয়ালমার্ট এক বিবৃতিতে জানায়, গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে ক্রেতা ও সদস্যদের সুবিধা দিতে তারা এই মূল্যছাড় কার্যক্রম চালু করেছে। কোম্পানিটি ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কোনো সমন্বয় বা অনুরোধের বিষয় উল্লেখ করেনি।
ওয়ালমার্টের তথ্যমতে, মূল্যছাড় পাওয়া পণ্যের তালিকায় রয়েছে গরুর কিমা, ভুট্টা, লাল চেরি, আইসক্রিম, আলুর চিপস এবং কোকা-কোলা ও পেপসির বিভিন্ন পণ্য।
যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ মাসে দেশটির ভোক্তা মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছেছে। ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের সময় এই হার ছিল ৩ শতাংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং শুল্কনীতির প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে। যদিও ইরানের সঙ্গে অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতির পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে, ফলে ভবিষ্যতে মূল্যস্ফীতির চাপও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগেও ট্রাম্প একাধিকবার ওয়ালমার্টকে তার শুল্কনীতির প্রভাব ভোক্তাদের ওপর না চাপানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি তখন বলেছিলেন, শুল্কের অতিরিক্ত ব্যয় কোম্পানি ও চীনের বহন করা উচিত, সাধারণ ক্রেতাদের নয়।
সূত্র: এপি