যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে বাড়ির মালিকদের জন্য বড় ধরনের সম্পত্তি কর ছাড়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন আইনপ্রণেতারা। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, নিজস্ব বসতবাড়ির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আড়াই লাখ ডলার পর্যন্ত সম্পত্তি কর ছাড় দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন এই প্রস্তাব চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে সাধারণ ভোটারদের সামনে উপস্থাপন করা হবে। মঙ্গলবার গভর্নরের আহ্বানে অনুষ্ঠিত বিশেষ […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে বাড়ির মালিকদের জন্য বড় ধরনের সম্পত্তি কর ছাড়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন আইনপ্রণেতারা। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, নিজস্ব বসতবাড়ির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আড়াই লাখ ডলার পর্যন্ত সম্পত্তি কর ছাড় দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন এই প্রস্তাব চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে সাধারণ ভোটারদের সামনে উপস্থাপন করা হবে।
মঙ্গলবার গভর্নরের আহ্বানে অনুষ্ঠিত বিশেষ অধিবেশনে ফ্লোরিডা সিনেট প্রস্তাবটি পাস করে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যেসব বাড়িতে মালিক নিজে বসবাস করেন, সেসব বাড়ির ওপর আরোপিত নির্দিষ্ট কিছু সম্পত্তি কর কমানো হবে। তবে শিক্ষা খাতের জন্য নির্ধারিত কর এই সুবিধার আওতার বাইরে থাকবে।
ফ্লোরিডা সিনেটের সভাপতি বেন অ্যালব্রিটন বলেন, নিজের একটি বাড়ি থাকা দীর্ঘদিন ধরেই আমেরিকান স্বপ্নের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ২৫০ বছর পূর্তি সামনে রেখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, নতুন এই কর ছাড় সাধারণ পরিবারগুলোর আর্থিক চাপ কিছুটা কমাতে সহায়তা করবে।
প্রস্তাবটির অন্যতম সমর্থক সিনেটর ব্রায়ান আভিলা বলেন, নিজের বাড়ি ও জমিতে স্বাধীনভাবে বসবাস করার আকাঙ্ক্ষা মার্কিন জনগণের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। তিনি জানান, নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবারগুলোর ব্যয় কমবে এবং একই সঙ্গে শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা, সড়ক ও অবকাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলোর অর্থায়ন যেন ব্যাহত না হয়, সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তবে এই পরিকল্পনা কার্যকর করতে হলে সাধারণ ভোটে অন্তত ৬০ শতাংশ ভোটারের সমর্থন প্রয়োজন হবে। ভোটাররা অনুমোদন দিলে ধাপে ধাপে কর ছাড়ের সুবিধা বাস্তবায়ন করা হবে।
এদিকে অঙ্গরাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, নতুন কর ছাড় কার্যকর হলে একজন বাড়ির মালিক কত টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় করতে পারবেন, তা জানার জন্য একটি বিশেষ ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। সেখানে বাসিন্দারা নিজেদের সম্ভাব্য কর ছাড়ের হিসাব দেখতে পারবেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফ্লোরিডায় বাড়ির দাম এবং সম্পত্তি কর উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। ফলে মধ্যবিত্ত পরিবার ও অবসরপ্রাপ্তদের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ছিল। এমন পরিস্থিতিতে কর কমানোর এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনা তৈরি করেছে।