সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

তথ্যপ্রযুক্তি
৬:৩৫ অপরাহ্ন, ৮ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু, উচ্ছ্বাস প্রকাশ মাস্কের

বাংলাদেশে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থাকা এলাকাতেও যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করতে চালু হওয়া এ সেবা নিয়ে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি। স্পেসএক্সের নির্বাহী স্টেফানি বেডনারেকের একটি পোস্ট পুনঃপ্রকাশ করে মাস্ক লেখেন, ‘Starlink connecting Bangladesh!’ অর্থাৎ, স্টারলিংকের […]

বাংলাদেশে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু, উচ্ছ্বাস প্রকাশ মাস্কের
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

বাংলাদেশে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থাকা এলাকাতেও যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করতে চালু হওয়া এ সেবা নিয়ে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

স্পেসএক্সের নির্বাহী স্টেফানি বেডনারেকের একটি পোস্ট পুনঃপ্রকাশ করে মাস্ক লেখেন, ‘Starlink connecting Bangladesh!’ অর্থাৎ, স্টারলিংকের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা হচ্ছে।

স্পেসএক্সের বাণিজ্যিক বিক্রয় বিভাগের প্রধান স্টেফানি বেডনারেক জানিয়েছেন, স্টারলিংক মোবাইলের মাধ্যমে বাংলাদেশের লাখো মানুষ এখন অতিরিক্ত সংযোগ সুবিধা পাবেন। বিশেষ করে যেসব এলাকায় প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের কাভারেজ নেই, সেসব অঞ্চলে এ প্রযুক্তি যোগাযোগের নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

এক্সে দেওয়া পোস্টে বেডনারেক বলেন, সেলুলার নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা এলাকাগুলোতে স্টারলিংকের প্রযুক্তি অতিরিক্ত সংযোগ সুবিধা দেবে। এর ফলে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা, প্রত্যন্ত অঞ্চলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও ভ্রমণকারীরা প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থাকলেও সংযুক্ত থাকতে পারবেন।

স্টারলিংক জানিয়েছে, বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটর বাংলালিংকের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে দেশে তাদের স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু হয়েছে। এ সেবার আওতায় লাখো গ্রাহক প্রচলিত সেলুলার নেটওয়ার্কের বাইরে থেকেও বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে বার্তা পাঠানো, নিজেদের অবস্থান শেয়ার করা এবং যোগাযোগের সুযোগ পাবেন।

সম্প্রতি বাংলালিংক স্টারলিংকচালিত এ সেবা চালু করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দক্ষিণ এশিয়ায় এ ধরনের সেবা চালুর ক্ষেত্রে এটি প্রথম উদ্যোগ।

জরুরি পরিস্থিতিতে যোগাযোগের সুযোগ

জরুরি পরিস্থিতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত হলে গ্রাহকদের যোগাযোগের সুযোগ ধরে রাখাই এ সেবার অন্যতম উদ্দেশ্য। বিশেষ করে জেলে, সমুদ্রে কর্মরত মানুষ, ভ্রমণকারী এবং প্রত্যন্ত ও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা এ প্রযুক্তির মাধ্যমে উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের গভীর সমুদ্র এলাকাতেও সেবাটি কার্যকর হতে পারে। সামঞ্জস্যপূর্ণ ৪জি ফোন ও বাংলালিংকের সিম ব্যবহারকারীরা প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থেকেও প্রয়োজনীয় অ্যাপ ব্যবহার এবং অবস্থানসংক্রান্ত সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকায় যোগাযোগের সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, গভীর সমুদ্র এবং নেটওয়ার্ক-সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় এ সেবা যোগাযোগের বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ