সরকারি বরাদ্দের একটি বাইসাইকেল বিতরণকে কেন্দ্র করে সমালোচনার মুখে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা তাজুল ইসলামকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলা নায়েবে আমির আজিজুর রহমানকে নতুন উপজেলা আমির হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের রুকন সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি […]
ছবি: সংগৃহীত
সরকারি বরাদ্দের একটি বাইসাইকেল বিতরণকে কেন্দ্র করে সমালোচনার মুখে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা তাজুল ইসলামকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলা নায়েবে আমির আজিজুর রহমানকে নতুন উপজেলা আমির হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের রুকন সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল।
তিনি জানান, নৈতিক পদস্খলন এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাওলানা তাজুল ইসলামকে উপজেলা আমিরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে নতুন নেতৃত্বের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।
রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির ও ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল বলেন, সংগঠনের গঠনতন্ত্র, আদর্শ ও শৃঙ্খলা রক্ষার প্রশ্নে কোনো ধরনের ব্যত্যয়কে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। সাংগঠনিক বিধি-বিধান অনুসরণ করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া একটি বাইসাইকেল প্রকৃত উপকারভোগীর পরিবর্তে মাওলানা তাজুল ইসলামের নাতির কাছে পৌঁছায়। অভিযোগ ওঠে, অন্য এক শিক্ষার্থীর নামে বরাদ্দ হওয়া সেই বাইসাইকেল তুলে নিয়ে তা পরিবারের সদস্যকে দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
পরে সংশ্লিষ্ট বাইসাইকেলটি ফেরত দেওয়া হলেও ঘটনাটি নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত থাকে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলীয়ভাবে তদন্ত ও পর্যালোচনার পর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে জামায়াতের স্থানীয় নেতারা।