বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এক ধাপ পিছিয়েছে। হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের সর্বশেষ পাসপোর্ট সূচক অনুযায়ী, বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে ৯৬তম, যা আগের সূচকে ছিল ৯৫তম। মে মাসে প্রকাশিত এই সূচকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা বর্তমানে বিশ্বের ৩৬টি দেশে ভিসামুক্ত, ভিসা অন অ্যারাইভাল অথবা সহজ ভ্রমণ সুবিধার আওতায় প্রবেশ করতে পারেন। ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধাপ্রাপ্ত দেশগুলোর […]
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এক ধাপ পিছিয়েছে। হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের সর্বশেষ পাসপোর্ট সূচক অনুযায়ী, বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে ৯৬তম, যা আগের সূচকে ছিল ৯৫তম।
মে মাসে প্রকাশিত এই সূচকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা বর্তমানে বিশ্বের ৩৬টি দেশে ভিসামুক্ত, ভিসা অন অ্যারাইভাল অথবা সহজ ভ্রমণ সুবিধার আওতায় প্রবেশ করতে পারেন।
ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধাপ্রাপ্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বার্বাডোজ, ভুটান, কম্বোডিয়া, ফিজি, জ্যামাইকা, কেনিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, সেশেলস, বাহামাস, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, ভানুয়াতু, সামোয়া, ডমিনিকা, গ্রেনাডা, হাইতি, জিবুতি এবং মাদাগাস্কারসহ আরও কয়েকটি দেশ ও দ্বীপ রাষ্ট্র।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কিছু দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা পৌঁছানোর পর ভিসা (ভিসা অন অ্যারাইভাল) পাওয়ার সুযোগ পান। অন্যদিকে কয়েকটি দেশে ভ্রমণের আগে অনলাইনে ই-ভিসা সংগ্রহের মাধ্যমে প্রবেশ করা যায়।
এদিকে বৈশ্বিক পাসপোর্ট শক্তির সূচকে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে সিঙ্গাপুর। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। তৃতীয় অবস্থানে আছে সুইডেন।
চতুর্থ স্থানে রয়েছে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ, যার মধ্যে বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন ও সুইজারল্যান্ড উল্লেখযোগ্য।
বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ স্বাধীনতা ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার অন্যতম সূচক হিসেবে হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সকে বিবেচনা করা হয়। বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টধারীরা কতটি দেশে ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারেন, তার ভিত্তিতেই এই র্যাংকিং নির্ধারণ করা হয়।