সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১:৪৮ অপরাহ্ন, ২ জুন ২০২৬

‘নরকে’ যাওয়ার ৬৬৬ নম্বর বাস ফিরলো পোল্যান্ডে!

ইংরেজি শব্দ ‘হেল’ শুনলেই অনেকের মনে ভেসে ওঠে নরক কিংবা ভয়ংকর কোনো কিছুর ধারণা। পশ্চিমা সংস্কৃতিতে বহুল ব্যবহৃত ‘গো টু হেল’ কথাটিও এই শব্দকে আরও পরিচিত করে তুলেছে। আর এই নামের সঙ্গেই মিল রেখে পোল্যান্ডে রয়েছে একটি জনপ্রিয় উপকূলীয় পর্যটন শহর—‘হেল’। যদিও শহরটির বানান ও অর্থ আলাদা, তবুও নামটি ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা ধরনের প্রতীকী […]

‘নরকে’ যাওয়ার ৬৬৬ নম্বর বাস ফিরলো পোল্যান্ডে!

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ইংরেজি শব্দ ‘হেল’ শুনলেই অনেকের মনে ভেসে ওঠে নরক কিংবা ভয়ংকর কোনো কিছুর ধারণা। পশ্চিমা সংস্কৃতিতে বহুল ব্যবহৃত ‘গো টু হেল’ কথাটিও এই শব্দকে আরও পরিচিত করে তুলেছে। আর এই নামের সঙ্গেই মিল রেখে পোল্যান্ডে রয়েছে একটি জনপ্রিয় উপকূলীয় পর্যটন শহর—‘হেল’। যদিও শহরটির বানান ও অর্থ আলাদা, তবুও নামটি ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা ধরনের প্রতীকী আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে।

সম্প্রতি সেই আলোচনা আবারও নতুন করে সামনে এসেছে শহরটির একটি বাস রুটকে ঘিরে। কারণ, হেল শহরে চলাচলকারী একটি বাসের নম্বর আবারও করা হয়েছে ‘৬৬৬’।

খ্রিষ্টান ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, বাইবেলে ৬৬৬ সংখ্যাটিকে ‘দ্য নাম্বার অব দ্য বিস্ট’ বা ‘পশুর সংখ্যা’ বলা হয়েছে। অনেকে এটিকে শয়তানের প্রতীক হিসেবেও বিবেচনা করেন। ফলে ‘হেল’ নামের শহরে ‘৬৬৬’ নম্বর বাস চলাচলকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এর আগে এই নম্বর নিয়ে সমালোচনা ওঠায় ২০২৩ সালে বাসটির নম্বর পরিবর্তন করে ৬৬৯ করা হয়েছিল। তবে এবার পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে আবারও পুরোনো ৬৬৬ নম্বর ফিরিয়ে এনেছে পরিবহন প্রতিষ্ঠান ফ্লিক্সবাস।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ব্যতিক্রমী এই নম্বর মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং পর্যটকদের আগ্রহ বাড়াবে। ফ্লিক্সবাসের এক মুখপাত্র স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টিভিএন২৪-কে বলেন, “এই রুটটির প্রতি মানুষের আগ্রহ তৈরি করা এবং পোল্যান্ডের উপকূলীয় জনপ্রিয় গন্তব্যে আরও বেশি পর্যটক আনা আমাদের লক্ষ্য। বিপণন কৌশলের অংশ হিসেবেই ৬৬৬ নম্বরটি ফিরিয়ে আনা হয়েছে।”

বাসটি পোল্যান্ডের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর ক্র্যাকভ থেকে যাত্রা শুরু করে প্রায় সাড়ে ৬০০ কিলোমিটার দূরের বাল্টিক সাগর উপকূলের হেল উপদ্বীপ পর্যন্ত চলাচল করবে। পথে রাজধানী ওয়ারশসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে যাত্রাবিরতি করবে বাসটি।

জানা গেছে, গ্রীষ্মকালজুড়ে প্রতিদিন একবার করে এই বাস চলবে। পর্যটকদের কাছে স্বচ্ছ পানি, দীর্ঘ বালুকাবেলা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে হেল উপদ্বীপ অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গন্তব্য।

সূত্র: রয়টার্স

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ