ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ধারণা, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই যুদ্ধের অবসান হতে পারে। এর আগেও ট্রাম্প একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন। শুক্রবার আলাবামার মোবাইলে মিচেল সেন্টারে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র কাউকে খুঁজে পাচ্ছে […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ধারণা, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই যুদ্ধের অবসান হতে পারে। এর আগেও ট্রাম্প একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন।
শুক্রবার আলাবামার মোবাইলে মিচেল সেন্টারে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র কাউকে খুঁজে পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি জানি না কার সঙ্গে কথা বলব। কথা বলার মতো কেউ নেই। কেউ প্রেসিডেন্ট হতে চায় না।’ ইরানের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘ইরানে কার সঙ্গে কথা বলব? নক নক, ভেতরে কেউ নেই।’
ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, দেশটি কখনো পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। তাঁর ভাষায়, ‘তাদের পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারে না।’
ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়েও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি দাবি করেন, ইরানের কোনো নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, রাডার বা বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নেই।
ইরানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, দেশটির অর্থনীতি ‘ধ্বংসের পথে’ এবং সেখানে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৩১০ শতাংশ।
যুদ্ধ কবে শেষ হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, এটি খুব শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে, সম্ভবত মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই। এর আগে ৯ সেপ্টেম্বরও তিনি বলেছিলেন, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই যুদ্ধ শেষ হবে।
ইরানকে ঘিরে অবরোধের প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘অবরোধের কী হবে? আমরা এটিকে ইস্পাতের প্রাচীর বলি।’
যুদ্ধ শেষ হলে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত কমে আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তেলের দাম দ্রুত নিচে নেমে আসবে।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই দেশটির কৌশলগত জ্বালানি তেলের মজুত বা স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ পুনরায় পূরণ শুরু করবে বলেও জানান ট্রাম্প।
এদিকে ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দেশটির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। উচ্চ জ্বালানি মূল্যের পাশাপাশি যুদ্ধ নিয়েও ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।