মেঘালয়ের শিলং সংলগ্ন দক্ষিণ–পশ্চিম খাসি হিলস জেলার সীমান্ত এলাকায় যৌথ অভিযানে পাঁচ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বিএসএফ ও মেঘালয় পুলিশ। সীমান্তবর্তী একাধিক গ্রামে তল্লাশি চালিয়ে এই পাঁচজনকে পাকড়াও করা হয়। দেশটির নিরাপত্তা সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকৃতদের মধ্যে তিনজন দাবি করেছেন, তারা বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের সদস্য এবং রাজনৈতিক কারণে ভারতে আশ্রয় নিতে গিয়েছেন। […]
মেঘালয়ের শিলং সংলগ্ন দক্ষিণ–পশ্চিম খাসি হিলস জেলার সীমান্ত এলাকায় যৌথ অভিযানে পাঁচ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বিএসএফ ও মেঘালয় পুলিশ। সীমান্তবর্তী একাধিক গ্রামে তল্লাশি চালিয়ে এই পাঁচজনকে পাকড়াও করা হয়।
দেশটির নিরাপত্তা সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকৃতদের মধ্যে তিনজন দাবি করেছেন, তারা বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের সদস্য এবং রাজনৈতিক কারণে ভারতে আশ্রয় নিতে গিয়েছেন। একজন বলেছেন, সে গিরগিটি ধরতে সীমান্ত পেরিয়েছেন। অপর একজনের উত্তর ছিল অসংলগ্ন।
বিএসএফের কর্মকর্তারা অবশ্য এই বক্তব্যকে সন্দেহের চোখে দেখছেন। তাদের ধারণা, রাজনৈতিক পরিচয় দাবি করা হতে পারে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া জটিল করার কৌশল। আটকৃতদের কাছ থেকে কোনো বৈধ নথি পাওয়া যায়নি। ঘটনাটির পর বিএসএফ বাংলাদেশের বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদপত্র পাঠিয়েছে।
ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, সম্প্রতি এই সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনা বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই প্রবেশকারীরা পেশাগত, অপরাধমূলক কিংবা কৌতূহলজনিত কারণে সীমান্ত অতিক্রম করে। তবে রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার দাবি এবারই প্রথমবার সামনে এল বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
পাঁচজনকে বর্তমানে শিলংয়ের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং আদালতে পেশ করার প্রস্তুতি চলছে। গোটা ঘটনায় উত্তর–পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বিএসএফ।