মৌলভীবাজারের জুড়ীতে বজ্রপাতে একসঙ্গে ১৩টি গরু ও একটি মহিষসহ মোট ১৪টি গবাদিপশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের কুচাই চা বাগান ও পাথরটিলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, সকালে প্রতিদিনের মতো গবাদিপশুগুলোকে টিলায় ঘাস খাওয়ার জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়। দুপুরে বজ্রসহ বৃষ্টির সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই পশুগুলোর মৃত্যু হয়। নিহত গবাদিপশুগুলোর মালিক পৃথক […]
ছবি: সংগৃহীত
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে বজ্রপাতে একসঙ্গে ১৩টি গরু ও একটি মহিষসহ মোট ১৪টি গবাদিপশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের কুচাই চা বাগান ও পাথরটিলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সকালে প্রতিদিনের মতো গবাদিপশুগুলোকে টিলায় ঘাস খাওয়ার জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়। দুপুরে বজ্রসহ বৃষ্টির সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই পশুগুলোর মৃত্যু হয়। নিহত গবাদিপশুগুলোর মালিক পৃথক আটজন চা শ্রমিক।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ূম এবং জুড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৃদুল কান্তি দে।
প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মারা যাওয়া ১৪টি গবাদিপশুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা। পরে পশুগুলো পাশের একটি টিলায় মাটিচাপা দেওয়া হয়।
জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নূর জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো লিখিত আবেদন করলে তা জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হবে এবং সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিক পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, তাদের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।