সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

অর্থনীতি
২:৫২ পিএম, ২৩ জুন ২০২৬

রেমিট্যান্সে দারুণ গতি, ২২ দিনে এলো ২৬ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা

দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির সুবাতাস বইয়ে দিয়ে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহে নতুন গতি দেখা যাচ্ছে। চলতি জুন মাসের প্রথম ২২ দিনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে পাঠিয়েছেন ২১৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা, প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা […]

রেমিট্যান্সে দারুণ গতি, ২২ দিনে এলো ২৬ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির সুবাতাস বইয়ে দিয়ে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহে নতুন গতি দেখা যাচ্ছে। চলতি জুন মাসের প্রথম ২২ দিনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে পাঠিয়েছেন ২১৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা, প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা বিনিময় হার হিসাবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন মাসের প্রথম ২২ দিনে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালের জুন মাসের প্রথম ২২ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১১ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার।

তবে শুধু একক মাসের হিসাবে নয়, পুরো অর্থবছরের প্রবাসী আয়ের চিত্র আরও বেশি আশাব্যঞ্জক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, অর্থবছর ভিত্তিক হিসাবে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২২ জুন পর্যন্ত সময়ে দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৯৬২ কোটি মার্কিন ডলার। অন্যদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে, অর্থাৎ ২২ জুন পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ৪৯০ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার।

অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ২২ জুন একদিনেই প্রবাসীরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে পাঠিয়েছেন ৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে সরকারের দেওয়া আড়াই শতাংশ নগদ প্রণোদনা, ব্যাংকিং চ্যানেলে তুলনামূলক আকর্ষণীয় ডলার বিনিময় হার এবং হুন্ডি লেনদেনের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারির কারণে প্রবাসীদের মধ্যে বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

তাদের মতে, জুন মাসের বাকি দিনগুলোতেও যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে মাস শেষে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা মনে করছেন, প্রবাসী আয় প্রবাহের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা এবং ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ