সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১:৫৩ অপরাহ্ন, ৪ নভেম্বর ২০২৬

স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে প্রকাশ, বন্ধুকে হত্যার দায়ে কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

বন্ধুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে এক বাংলাদেশি প্রবাসীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুয়েতের একটি ফৌজদারি আদালত। স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন। কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম গাল্ফ নিউজ। প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তি অভিযুক্ত বাংলাদেশির […]

স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে প্রকাশ, বন্ধুকে হত্যার দায়ে কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

বন্ধুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে এক বাংলাদেশি প্রবাসীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুয়েতের একটি ফৌজদারি আদালত। স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।

কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম গাল্ফ নিউজ।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তি অভিযুক্ত বাংলাদেশির স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করেছিলেন। বারবার অনুরোধ করার পরও তিনি ছবিগুলো সরিয়ে নিতে রাজি হননি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। একপর্যায়ে বন্ধুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন অভিযুক্ত।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছুরি নিয়ে তাঁর বন্ধুর কর্মস্থলের একটি স্থানে অপেক্ষা করছিলেন। সেখানে ওই ব্যক্তি অবস্থান করছেন, তা নিশ্চিত হওয়ার পরও তিনি অপেক্ষা করতে থাকেন। পরে বন্ধু বাইরে বের হলে তাঁর ওপর হামলা চালান। ছুরিকাঘাতে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

আদালতে অভিযুক্ত ব্যক্তি হত্যার দায় স্বীকার করেন। তিনি জানান, হত্যার শিকার ব্যক্তির সঙ্গে আগে তাঁর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। একবার তাঁর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে বন্ধু তাঁর স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই ছবি তুলেছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।

পরে ওই ছবিগুলো ফেসবুকে প্রকাশ করা হয়। ছবির নিচে তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হলে তিনি বন্ধুকে ছবিগুলো সরিয়ে নিতে বলেন। কিন্তু বন্ধু তাতে রাজি হননি। বরং পরবর্তী সময়ে আরও ছবি প্রকাশ করেন বলে আদালতে জানান অভিযুক্ত।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ও তাঁর স্ত্রীর মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তিনি প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং বন্ধুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করেন।

মামলার অভিযোগ ও আদালতে দেওয়া বক্তব্য পর্যালোচনা করে আদালত হত্যাকাণ্ডটিকে ইচ্ছাকৃত ও পূর্বপরিকল্পিত বলে বিবেচনা করেন। পরে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

তবে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে কি না, কিংবা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে পরবর্তী কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, তা সরবরাহ করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

তথ্যসূত্র: গাল্ফ নিউজ।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ