যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডগলাসভিল এলাকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দীর্ঘদিন মানসিক স্বাস্থ্যজনিত জটিলতায় ভোগার পর হাসান খান (৩৯) ইন্তেকাল করেছেন। পরিবার ও কমিউনিটি সূত্রে জানা গেছে, হাসান খান স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত মুখ তারিক খানের ছেলে। তিনি দীর্ঘ সাত থেকে আট বছর ধরে স্কিজোফ্রেনিয়া রোগে আক্রান্ত ছিলেন। এই সময়ে তিনি […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডগলাসভিল এলাকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দীর্ঘদিন মানসিক স্বাস্থ্যজনিত জটিলতায় ভোগার পর হাসান খান (৩৯) ইন্তেকাল করেছেন।
পরিবার ও কমিউনিটি সূত্রে জানা গেছে, হাসান খান স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত মুখ তারিক খানের ছেলে। তিনি দীর্ঘ সাত থেকে আট বছর ধরে স্কিজোফ্রেনিয়া রোগে আক্রান্ত ছিলেন। এই সময়ে তিনি নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণ করলেও শেষ পর্যন্ত জীবনের লড়াইয়ে হার মানেন।
শুক্রবার সকালে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ডগলাসভিলসহ বৃহত্তর আটলান্টা অঞ্চলের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য প্রবাসী বাংলাদেশি তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক প্রকাশ করেন।
জর্জিয়া অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি আরেফিন বাবুল বলেন, “হাসান খানের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং তার পরিবার অত্যন্ত কঠিন সময় পার করছিল। এই মৃত্যু পরিবারটির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”
তিনি আরও জানান, মৃত্যুর পর প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে মরদেহ বর্তমানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। পুলিশের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এবং অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কমিউনিটি নেতারা জানিয়েছেন, মরদেহ হস্তান্তরের পর পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে জানাজা ও দাফনের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। পরবর্তীতে কমিউনিটির সদস্যদের এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
হাসান খানের মৃত্যুতে তার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে গভীর শোক বিরাজ করছে। কমিউনিটির পক্ষ থেকে সকলের কাছে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা আশা প্রকাশ করেছেন, মহান আল্লাহ তাআলা মরহুমকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করবেন এবং তার পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করবেন।