নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে অবস্থিত আফতাব ফুড মার্কেটে চারজন ব্যক্তির হারিয়ে যাওয়া সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড উদ্ধার হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নথিগুলো নিরাপদে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আফতাব ফুড মার্কেটের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় জানানো হয়, উদ্ধার হওয়া সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ডগুলো বর্তমানে তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। কার্ডগুলোর মালিক বা তাদের নিকটাত্মীয়দের […]
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে অবস্থিত আফতাব ফুড মার্কেটে চারজন ব্যক্তির হারিয়ে যাওয়া সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড উদ্ধার হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নথিগুলো নিরাপদে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
আফতাব ফুড মার্কেটের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় জানানো হয়, উদ্ধার হওয়া সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ডগুলো বর্তমানে তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। কার্ডগুলোর মালিক বা তাদের নিকটাত্মীয়দের প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র ও তথ্য দিয়ে মালিকানা নিশ্চিত করার পর সেগুলো হস্তান্তর করা হবে।
প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যাদের নামে কার্ডগুলো পাওয়া গেছে তারা হলেন আলিশা কামাল, আরহাম কামাল, আনায়া কামাল এবং শামীমা বেগম।
আফতাব ফুড মার্কেট জানিয়েছে, শুধু নামের মিল থাকলেই কার্ড দেওয়া হবে না। পরিচয় যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত মালিক নিশ্চিত হওয়ার পরই নথিগুলো ফেরত দেওয়া হবে।
ব্রঙ্কসের ১২০৯ হোয়াইট প্লেইন্স রোড, নিউইয়র্ক ১০৪৭২ ঠিকানায় অবস্থিত আফতাব ফুড মার্কেট বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত একটি গ্রোসারি ও হালাল খাদ্যপণ্যের দোকান। ব্যবসায়িক ডিরেক্টরিতেও একই ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর তালিকাভুক্ত রয়েছে।
সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড যুক্তরাষ্ট্রে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি ব্যক্তিগত নথি। চাকরি, কর পরিশোধ, সরকারি সেবা গ্রহণ এবং পরিচয় যাচাইসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে এতে থাকা সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর ব্যবহৃত হয়। এ কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে উদ্ধার হওয়া কার্ডগুলোর নম্বর বা পূর্ণাঙ্গ ছবি প্রকাশ করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আফতাব ফুড মার্কেটের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। যোগাযোগের নম্বর (718) 863-1516 এবং (929) 280-6742।
এছাড়া নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, কেউ যদি আলিশা কামাল, আরহাম কামাল, আনায়া কামাল অথবা শামীমা বেগমকে চিনে থাকেন, তাহলে তাদের কাছে বিষয়টি পৌঁছে দিতে, যাতে প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ডগুলো নিরাপদে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়।