ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা একতরফা নিষেধাজ্ঞা মানতে নিজেদের বাধ্য মনে করে না পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের আরোপ করা এসব নিষেধাজ্ঞাকে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করে না ইসলামাবাদ। বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহের আন্দ্রাবি সরকারের এই অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা একতরফা নিষেধাজ্ঞা মানতে নিজেদের বাধ্য মনে করে না পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের আরোপ করা এসব নিষেধাজ্ঞাকে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করে না ইসলামাবাদ।
বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহের আন্দ্রাবি সরকারের এই অবস্থানের কথা জানান।
তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা একতরফা নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান মেনে চলার প্রয়োজন অনুভব করে না। একই সঙ্গে এ ধরনের বিরোধ ও মতপার্থক্যের সমাধান আলোচনা এবং কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পাকিস্তানের এই অবস্থান এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত সোমবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন এক দফা নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে বিভিন্ন বিষয়ে ছাড় দিতে বাধ্য করার অংশ হিসেবে দেশটির অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের বক্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইসলামাবাদ মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বাইরে নিজেদের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকেই গুরুত্ব দিতে চায়। একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টাপাল্টি চাপের বদলে সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ মেটানোর ওপর জোর দিয়েছে দেশটি।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ইস্যুতে উত্তেজনা বিরাজ করছে। নতুন নিষেধাজ্ঞাকে ঘিরে সেই উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কার মধ্যেই পাকিস্তান প্রকাশ্যে ওয়াশিংটনের পদক্ষেপের বিরোধিতা করল।
সূত্র: রয়া নিউজ