সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রথমবারের মতো ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর আওতায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য এই ভাতা দেওয়া হবে। সোমবার (৩১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ অনুমোদন করা হয়। নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য এই ভাতার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে […]
ছবি: সংগৃহীত
সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রথমবারের মতো ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর আওতায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য এই ভাতা দেওয়া হবে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ অনুমোদন করা হয়। নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য এই ভাতার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য এবারই প্রথম ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যোগ্য প্রতিটি সন্তানের জন্য সরকারি কর্মচারীরা প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে এই ভাতা পাবেন।
অর্থাৎ, কোনো সরকারি কর্মচারীর একাধিক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে, প্রতিটি সন্তানের জন্য পৃথকভাবে মাসিক ৩ হাজার টাকা হারে ভাতা পাওয়ার বিধান থাকবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে।
তবে এর বাস্তবায়ন একসঙ্গে না করে পর্যায়ক্রমে করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ফলে সরকারের আর্থিক ব্যয় এবং সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে চলতি ২০২৬-২৭ এবং আগামী ২০২৭-২৮—এই দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে।
নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে বিভিন্ন আর্থিক সুবিধার পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতার এই সংযোজন সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন একটি সুবিধা হিসেবে যুক্ত হচ্ছে।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান লালন-পালনে সরকারি কর্মচারী পরিবারগুলোর অতিরিক্ত ব্যয়ের একটি অংশ ভাতার মাধ্যমে পূরণ করার সুযোগ তৈরি হবে।